টিডিএন বাংলা ডেস্ক: দেশজুড়ে সিএএ-এনআরসি’র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত। এই নিয়ে বিক্ষোভের আগুন জ্বলছেই। তার মধ্যেই কেন্দ্র সরকারের ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্ট্রারে কেরল ও বাংলা বাদে সম্মতি জানাল সমস্ত রাজ্য। যদিও সিএএ-এনআরসি’র নিয়ে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলি বিরোধিতা জানালেও তালিকায় তারাও রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে আগের অবস্থানে এখনও অনড় পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরালা। এই দুই রাজ্যে এনপিআর চালু হবে না বলে আগেই জানিয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারকে একথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে তারা।

বাংলায় এনআরসি, সিএএ এবং এনপিআর কার্যকর হবে না বলে আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একেবারে সরকারি বিজ্ঞাপন দিয়ে নবান্ন জানিয়ে দিয়েছিল সে কথা। কিন্তু সেই বিজ্ঞাপন সংবিধানসম্মত কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত বিজ্ঞাপন সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু বিজ্ঞাপন বন্ধ হলেও সরকারের মনোভাব যে বদলায়নি। কেরলের পাশাপাশি বাংলার এই অবস্থান আগামীতে দেশকে কোন পথে নিয়ে যাবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

বুধবার রানি রাসমনি রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধর্নামঞ্চ থেকে যখন মমতা বলছেন ‘১৭ তারিখ এনপিআর নিয়ে দিল্লিতে যে বৈঠক ডাকা হয়েছে, তাতে আমি যাচ্ছি না।’ তার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই এনপিআর নিয়ে দেশের বাকি রাজ্যের সম্মতির কথা সামনে এলো।

কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম অনুসারে, এনপিআরের জন্য রাজ্যগুলিকে মুখ্য জনগণনা আধিকারিক পিসিও নিয়োগ বাধ্যতামূলক। দেশের মধ্যে এখনও পর্যন্ত তিনটি রাজ্য ছাড়া বাকি সরকার পিসিও নিয়োগ করেছে। ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্ট্রারের ক্ষেত্রে পিসিও-র নিয়োগ চূড়ান্ত পর্যায় বলে জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা।