টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আমিলা সাহা। ৪৫ বছরের গৃহবধূ। তাকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দিল আসাম পুলিশ। আসামে এনআরসি চালু করার লক্ষ্যে যখন সমস্ত নাগরিকদের নাগরিকত্বের প্রমান পত্র জমা করতে বলা হয় তখন আমিলা সাহা তা যথারীতি জমা করেন। সেই মত গত বছর ৪ জুন তাঁর হেয়ারিং সম্পন্ন হয় এবং তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

১৫ জুন ২০১৯ হটাৎ আসাম পুলিশ তাঁর বাড়িতে আসে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করে টেজপুর ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয়। আমিলা উত্তর আসামের শানিতপুর জেলার বাসিন্দা। তারা তিন ভাই ও পাঁচ বোন। আমিলার ভাই রমেশ গুপ্ত সাংবাদিকদের জানান সমস্ত কাগজ পত্র জমা দেওয়া সত্ত্বেও এন আর সির নামে তাদেরকে হয়রান করা হচ্ছে।

পেশায় একটি পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার রমেশ গুপ্ত জানান, তাঁর বাবা ১৯৪৬ সালে কর্ম সূত্রে প্রতাপ গড় চা বাগানে আসে। সেখান থেকেই তিনি আসামের বাসিন্দা। তাঁর পূর্ব পুরুষ দের বাসস্থান বিহার। তাঁদের ভাই বোনের সবার জন্ম আসামে। তাঁর বোনের নামে নোটিস আসার পর এন আর সি অফিসে প্যান কার্ড স্কুল সার্টিফিকেট জমা দেওয়া হয়।১৯৫১ সালে তালিকায় তাঁর বাবার নাম ছিল তাও দেখানো হয়।এর পরও তার বোনকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।