টিডিএন বাংলা ডেস্ক: দ্বিতীয় দফার ভোটে বড় ফ্যাক্টর হিন্দু বাঙালি। ফলে নাগরিকত্বের সংশোধনী বিলের চরম বিরোধী তরুণ গগৈর কংগ্রেস এখন হিন্দু বাঙালির চিত্ত জয়ের লক্ষ্যে ময়দানে নেমে পড়েছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গগৈ দাবি করেছেন, নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়া ৪০ লক্ষ মানুষের মধ্যে ৩০ লক্ষই হিন্দু বাঙালি। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে গগৈ বলেন, নাগরিকপঞ্জির সম্পর্ন খসড়া থেকে বাদ পড়া ৪০ লক্ষ মানুষের মধ্যে ৩০ লক্ষই হিন্দু বাংলাদেশি। কিন্তু উদ্বাস্তু হিন্দু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দিতে নারিকত্ব আইন সংশোধনী বিল পাস করতে মরিয়া বিজেপি এই ৩০ লক্ষ হিন্দু বাঙালির ভবিষ্যৎ নিয়ে একবিন্দুও ভাবছে না। এর থেকেই পরিষ্কার, বাঙালির প্রতি বিজেপির দরদ শুধুই লোক দেখানো। অন্যদিকে শনিবার উত্তর করিমগঞ্জের উজানডিহিতে এক নির্বাচনী সভায় বাঙালিদের অভয় দিয়ে অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রিপুন বরা বলেছেন, এনআরসি-ছুট বাঙালি হিন্দু-মুসলিমের দুঃচিন্তার কিছু নেই। বিজেপি সরকার যতই তাঁদের দেশছাড়া করবার চেষ্টা করুক না কেন, কংগ্রেস তা হতে দেবে না। সর্বশক্তি দিয়ে কংগ্রেস বিজেপির এই অপচেষ্টা প্রতিহত করবে। বাঙালিদের পক্ষ নিয়ে আইনি লড়াই চালাবে।

রিপুন এদিন বলেন, গত তিন বছরে বিজেপি শাসনে অসমে বসবাসকারী বাঙালি হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নানা অজুহাতে তাঁদের হেনস্তা করা হচ্ছে। রিপুন বরা বলেন, এনআরসি নবায়নের কাজ কংগ্রেস সরকার শুরু করেছিল ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে, কিন্তু বিজেপি এটাকে বাংলাভাষীদের হেনস্তা করার জন্য ব্যবহার করছে। কংগ্রেস চেয়েছিল এনআরসি এমনভাবে প্রস্তুত করা হোক যাতে রাজ্যে বসবাসকারী বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হেনস্তার সম্মুখীন না হন, প্রকৃত ভারতীয়দের নাম যেন বাদ না পড়ে। আর বিনেপির উদ্দেশ্যই হল একটি সম্প্রদায়ের নাম বাদ দেওয়া, তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা।