টিডিএন বাংলা ডেস্ক: অন্ধ্র প্রদেশে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া ছাত্রবৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠান ভণ্ডুল করে সেখান থেকে রাজ্য সেক্রেটারী ও জেলা নেতাদের অনৈতিকভাবে বন্দি করার তীব্র নিন্দা জানালো পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ আলী জিন্নাহ। তিনি অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্র বাবু নাইডুকে রাজ্যে সংখ্যালঘু অধিকার ধরনের এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করার আবেদন জানান।

পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশান ডাইরেক্টর ডা: মুহাম্মাদ শামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, ১০ ডিসেম্বর অন্ধ্র প্রদেশের চিত্তর জেলার পুঙ্গানুরে আয়োজিত একটি শিক্ষামূলক অনুষ্টানে পুলিশ অমার্জিত ভাষা ব্যবহার করে নিরাপরাধ পড়ুয়া ও জনগণের বিরুদ্ধে। সুমাইয়া হলে আয়োজন করা হয়েছিল স্কলারশীপ বিতরণ প্রোগ্রাম।পড়ুয়াদের উন্নতির জন্য সেখানে উৎসাহ মূলক ক্লাস, পরামর্শদান ও দক্ষতা উন্নতির প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।কিন্তু সেখানে পুঙ্গানুর থানার সাব- ইন্সপেক্টর ও প্রধান কনস্টেবল সেখানে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করে এবং পড়ুয়াদের ছবি তুলতে থাকে। আয়োজকরা সেই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন এবং এই পাবলিক প্রোগ্রামের কথা পুলিশ কে জানিয়ে দেওয়া হয়। সেসময় বিষয়টি শান্তিপূর্ণভাবে মিটে গেলেও কিছুক্ষণ পরে পুলিশ আবার ফিরে আসে এবং হল ম্যানেজমেন্ট ছিন্ন ভিন্ন করে দেয় এবং নিরাপরাধ জনগণকে বন্দি করে। অন্যান্য বন্দীদের মধ্যে রাজ্য সেক্রেটারী মুহাম্মাদ আরিফ আহমাদ ও পুঙ্গানুর জেলা সভাপতি ফাইয়াজ আহমাদকেও বন্দি করা হয়। তাদেরকে পুলিশের কাজে অসুবিধা সৃষ্টির মিথ্যা অভিযোগে পুলিশি হিফাজতে রাখা হয়। তিনি আরো জানান, পপুলার ফ্রন্টের স্কলারশীপ স্কিম সারা দেশে একটি ব্যতিক্রমধর্মী স্কীম এবং এটা বিগত এক দশক ধরে চলে আসছে। মুসলিম ও অন্যান্য পশচাদপদ সম্প্রদায়ের হাজারও মেধাবী দরিদ্র পড়ুয়ারা এর দ্বারা উপকৃত হয়ে আসছে। পুলিশের শিক্ষামূলক কাজের বিরুদ্ধে এই ধরনের গুন্ডামী দেশের পশ্চাদপদ শ্রেণীর শিক্ষার ক্ষেত্রে উন্নতির উপর আক্রমণ ছাড়া অন্য কিছু নয়। এটা একটি সভ্য সমাজ ও দেশের জন্য লজ্জাজনক ঘটনা এবং সেই সরকারের জন্যও যেটা ধর্মনিপর্পেক্ষ হওয়ার দাবি করে। আমরা চন্দ্রবাবু নাইডু সরকারের নিকট আবেদন করি যে, যে সকল পুলিশ অফিসার এই ধরনের ঘটনার জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে যেন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় এবং যাদেরকে বন্দি করা হয়েছে তাদেরকে বিনাশর্তে ছেড়ে দেওয়ার দাবিও করা হয়। পপুলার ফ্রন্ট পুলিশের এই কাজের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ও আইনী পদ্ধতিতে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। পুলিশের এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে সুশীল সমাজ কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

Advertisement
mamunschool