টিডিএন বাংলা ডেস্ক: দেশের একদিকে রামমন্দির তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধীরা সীতার গায়ে আগুন লাগাচ্ছে, দেশে একের দেশে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে এমনটাই বললেন কংগ্রেস নেতা তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। শুক্রবার সংসদে উন্নাওয়ের ধর্ষিতার গায়ে আগুন লাগার প্রসঙ্গে অধীর বলেন, উন্নাওয়ের এক ধর্ষিতার গায়ে আগুন লাগিয়েছে অভিযুক্তরা। তাঁর শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘‘কী ঘটছে এই দেশে? একদিকে ভগবান রামের মন্দির তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে মা সীতার গায়ে আগুন লাগানো হচ্ছে! এমন কাজ করার সাহস কী করে পাচ্ছে অপরাধী?”

অধীর চৌধুরীর এই বক্তব্যের পর কংগ্রেস সাংসদরা ওয়াক আউট করে কক্ষের বাইরে চলে যান। এর আগে দিল্লির সাংসদ মীনাক্ষী লেখি তেলেঙ্গানা এনকাউন্টার প্রসঙ্গে তাঁর মতামত জানান। লোকসভায় এনকাউন্টার নিয়ে বিতর্ক চলাকালীন মীনাক্ষী লেখি বলেন, সাজিয়ে রাখতে পুলিশের কাছে অস্ত্র দেওয়া হয় না। তিনি বলেন, ‘‘আপনি অপরাধও করবেন আবার হাতকড়ি খুলে পালানোর চেষ্টাও করবেন। পুলিশের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র দেওয়া হয়েছে? তারা কী করত?”

তিনি আরও দাবি করেন, নির্ভয়া কাণ্ডে দিল্লি সরকার ওই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কয়েক মাস সেটা চেপে রেখেছিল।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে হায়দরাবাদের শাদনগরে ২৬ বছর বয়সী পশুচিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে পুরোদেশ তোলপাড় হয়। সুক্রবার ভোরে ধর্ষণ-খুনে চার অভিযুক্তের এনকাউন্টার করে মারে হায়দ্রাবাদ পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনায় জড়িত মহম্মদ পাশা(২৬), জল্লু শিবা (২০), জল্লু নবীন (২০) ও চিন্তাকুন্তা চেন্নাকেশাভুলুর (২০) এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে।