টিডিএন বাংলা ডেস্ক :  ‘হাউ ইজ দ্য জোশ?’

এই সংলাপটি কি আবার ফিরে আসতে চলেছে? সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। অন্তত পাকিস্তানের হালচাল দেখে। পুলওয়ামা হামলার পর প্রত্যাঘাত করতে সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন মোদী। আর তারপরেই প্রমাদ গুণতে শুরু করেছে পাকিস্তান। নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে লঞ্চ প্যাড থেকে জঙ্গিদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

উরি সেনা ছাউনিতে জঙ্গি হামলার পর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক পাকিস্তানের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। সেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের গৌরব নিয়ে বারেবারে প্রচারে নামতে দেখা গেছে মোদী ব্রিগেডের সদস্যদের। উরি সিনেমার সংলাপটিকে হাতিয়ার করে প্রচারে নেমে পড়েছিলেন বিজেপি নেতারা। কারণে-অকারণে যত্রতত্র টেনে আনছিলেন সংলাপটি। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রীর মুখেও শোনা যায় `যোশ’। এই `যোশ’-ই কি তাহলে আবার ফিরে আসছে? প্রশ্ন সেটাই।

পুলওয়ামা জঙ্গি হামলায় জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নিতে ক্ষোভে ফুঁসছে ভারত। শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন, জওয়ানদের ওপরে হামলার পাল্টা কী ব্যবস্থা কোথায়, কখন, কীভাবে নেওয়া হবে তা ঠিক করবে সেনাই। এর জন্য তাদের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া রয়েছে। এনিয়ে আতঙ্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছে পাকিস্তানে।

নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর লঞ্চ প্যাডগুলি থেকে ইতিমধ্যেই জঙ্গিদের সরাতে শুরু করেছে পাক সেনা। মনে করা হচ্ছে ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মতো কোনও প্রত্যাঘাতের আশঙ্কা করছে পাকিস্তান। তবে কাশ্মীর সীমান্তের উভয় পারেই সেনা মোতায়েনের কোনও খবর নেই। এমনটাই দাবি করা হয়েছে একটি ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদনে।

সেনা সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, এলওসির ওপারে আঘাত করার মতো কোনও টার্গেট এই মুহূর্তে নেই। নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারেই রয়েছে একাধিক লঞ্চ প্যাড। সেখানে থেকেই পাক জঙ্গিরা ভারত ঢোকার চেষ্টা করে।

উরি সেনা ছাউনিতে হামলার পর দেশজুড়ে পাল্টা হামলার দাবি উঠেছিল দেশজুড়ে। সঙ্গে সঙ্গে কোনও ব্যবস্থা না নিলেও এক মাসের মধ্যেই সীমান্ত পার করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে বহু জঙ্গি লঞ্চ প্যাড ধ্বংস করে আসে ভারতীয় সেনা। নিকেশ করা হয়ে কমপক্ষে ৪০ জঙ্গিকে। এবারও সেরকমই এক দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।