টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ১৯৯৮২০০৩ এবং ২০০৮ সাল পরপর তিন বার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হন শীলা দীক্ষিত। সবচেয়ে বেশি সময় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নজির তৈরি করেছিলেন তিনি। চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে তাঁর কেরিয়ার গ্রাফ। কখনও রেকর্ড গড়েছেন, ২০১৩ সালে নির্বাচনে আবার আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের কাছে পরাজিত হয়েছেন। যদিও সেখানেই তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার থেমে থাকেনি। দিল্লি কংগ্রেস সভাপতির পদে থেকেই আল বিদা শীলা দীক্ষিত।

ভারতীয় রাজনীতি শীলা দীক্ষিতের পা রাখাটা ছিল খানিকটা কাকতালীয়। শ্বশুর উমাশঙ্কর দীক্ষিত ছিলেন ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী। পরে ইন্দিরা গান্ধী ক্যাবিনেটের মন্ত্রীও ছিলেন। উমাশঙ্কর দীক্ষিত পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালও ছিলেন। সেই সময় শীলা দীক্ষিত তাঁকে সাহায্য করতেন। শীলা দীক্ষিতকে রাষ্ট্র সংঘে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। ১৯৩৮ সালের ৩১ মার্চ পঞ্জাবের কাপুরথালায় পঞ্জাবী ক্ষেত্রী (কাপুর) পরিবারে জন্ম। দিল্লির কনভেন্ট অফ জেসাস অ্যান্ড মেরি স্কুলে পড়াশোনা। পরবর্তী সময়ে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা করেন।

১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ উত্তর প্রদেশের কনৌজ কেন্দ্র থেকে লোকসভার সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৯-এর মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন। ১৯৯৮-র নির্বাচনে তিনি পূর্ব দিল্লি থেকে বিজেপির লালবিহারী তিওয়ারিকে পরাজিত করেন। পরে অবশ্য ওই বছরেই তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হন।

২০১৩-র ডিসেম্বর ভোটে হেরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন। তাঁকে ২০১৪-র মার্চে কেরলের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিনি ইস্তফা দিতে বাধ্য হন।
২০১৯-এর ১০ জানুয়ারি তাঁকে দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি করা হয়েছিল। সেই পদে থেকেই চলে গেলেন শীলা।