টিডিএন বাংলা ডেস্ক: অনেক দিন ধরেই মনমালিণ্য চলছিল। কিন্তু আর রাগ চেপে রাখতে পারলেন না নভজোৎ সিং সিধু। পাঞ্জাবের মন্ত্রী সিধুর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সম্পর্ক ক্রমশ অবনতির পথে। গত সপ্তাহে পাঞ্জাব মন্ত্রিসভার বৈঠকেও গড়হাজির থেকেছেন সিধু। শুধু তাই নয় মন্ত্রিসভায় তাঁর গুরুত্বও অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর আজ সকালে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের এই প্রাক্তন ওপেনার। রাহুলকে একটি চিঠিও দিয়েছেন তিনি। সে কথা জানিয়ে টুইটারে নিজেই একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। তাতে রাহুল এবং সিধু ছাড়াও আছেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধীর রাজনৈতিক সচিব আহমেদ প্যাটেল। টুইট করে তিনি জানান কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে দেখা করে তাঁকে একটি চিঠি দিয়েছি। আর তাছাড়া সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনাও করেছি। চিঠিতে কী ছিল তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও খবর পাওয়া যায়নি। মানে কংগ্রেস থেকে সিধু ইস্তফা দিয়েছেন কিনা সেটা স্পষ্ট হয়নি।

গত সপ্তাহে সিধুর হাতে থাকা একাদিক দপ্তর নিয়ে নেন ক্যাপ্টেন। এখন তাঁর হাতে আছে বিদ্যুৎ। তাছাড়া রাজ্য সরকারের কাজ কর্ম ভালোভাবে হচ্ছে কিনা দেখতে গঠিত বিশেষ কমিটি থেকেও বাদ পড়েছেন সিধু। গত শুক্রবার থেকে দিল্লিতে আছেন সিধু। কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে কখন কীভাবে দেখা করা যায় তারই চেষ্টা চালাচ্ছিলেন তিনি।

সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে গোটা দেশে কংগ্রেসের ফল খারাপ হলেও পাঞ্জাবের ১৩টির মধ্যে আটটিতে জেতে কংগ্রেস। আসলে এই নির্বাচনের প্রার্থী পদ নিয়েই গোলমালের সূত্রপাত। সিধু মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী চাননি বলেই তাঁর স্ত্রী অমৃতসর আসন থেকে প্রার্থী হতে পারেননি। আবার ভোটের ফল প্রকাশের পর হারের দায় সিধুর উপরেই চাপিয়েছেন অমরিন্দর। ভোট মিটতেই জুন মাসের ৬ তারিখ পাঞ্জাব মন্ত্রিসভার রদবদল করেন মুখ্যমন্ত্রী। গুরুত্ব কমে সিধুর। তাতেই চটে যান প্রাক্তন ক্রিকেটার। রাহুলের হস্তক্ষেপে তাঁর অবস্থান কোনও পরিবর্তন হয় কিনা, এখন সেটাই দেখার।