টিডিএন বাংলা ডেস্ক : দাদাকে সঙ্গে নিয়ে শুরু হল প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার রাজনৈতিক সফর। উত্তরপ্রদেশ পূর্বের দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম এই রাজ্যে পা রাখলেন প্রিয়ঙ্কা। রোড শো করলেন লখনউয়ে। সঙ্গে ছিলেন রাহুল গান্ধী ও জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

সোমবার বেলা ১টা নাগাদ তিনি লখনউ বিমানবন্দরে পৌঁছান। বাসের চাদে উঠে রাস্তা পরিক্রমা করেন। নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল পুরো রাস্তা। রোড শো থেকেও রাহুল রাফালে নিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে খোঁচা দিলেন। মানুষ তাঁদের নতুন নেত্রীকে পেয়ে আবেগে ভাসলেন। প্রিয়ঙ্কার ওপর পুষ্প বৃষ্টি করলেন তাঁরা।
বিমানবন্দর থেকে আলমবাগ, চারবাগ, হুসেনগঞ্জ, লালবাগ, হজরতগঞ্জ, মায়াবতীর শুঁড় তোলা হাতির মূর্তির পার্ক ঘেঁষে রোড শো যায় কংগ্রেস দফতর নেহরু ভবনে। সবমিলিয়ে ৩০ কিলোমিটার রাস্তা পরিক্রমা করেন তিনি। রাস্তার দু’ধারে রাহুল, প্রিয়ঙ্কার বিশাল সব পোস্টার। তাঁদের নামে স্লোগান।

তাঁর সফর ঘিরে কংগ্রেস নেতা কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা তুঙ্গে। তিনি খোলা জিপে করে লখনউতে রোড শো করেন। রাস্তার দু’ ধারে দাঁড়িয়ে থাকা জনতার উদ্দেশ্যে হাত নাড়েন প্রিয়ঙ্কা। তিনি এখন কিছুদিন এখানেই থাকবেন। কথা বলবেন কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে। রাজ্যে থাকার কথা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ারও। লোকসভা ভোটের ঘুঁটি সাজাতে এবার আসরে রাজীব তনয়া।

সোনিয়া রাজনীতি থেকে যতই সরে দাঁড়াচ্ছেন, ততই বেশি করে লাইম লাইটে এসেছেন রাহুল গান্ধী। গত বছর মায়ের হাত থেকে দলের সভাপতির দায়িত্ব তুলে নেন রাহুল। রাহুলের রাজনৈতিক পরিণতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। সোনিয়া রাশ আলগা করতেই রাহুলকে নিয়ে দায়িত্ব দিয়ে তৈরি করেছেন। এক সময় রাহুল যখন বারেবারে ব্যর্থ হয়েছেন, তখন দলের অন্দরেই প্রিয়ঙ্কাকে রাজনীতিতে আনার জন্য চাপ বাড়তে থাকে। অবশেষে তিনি এলেন, জয় করবেন কিনা, তা সময়ই বলবে।