এস.আলম, টিডিএন বাংলা, নয়া দিল্লি : সময়টি ছিল ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৮। কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকারের আমলে ঘটে দিল্লির বাটলা হাউস এনকাউন্টার। ওই ঘটনায় খতম হয়  সন্ধেহভাজন ইন্ডিয়ান মুজাহেদিনের দুই জঙ্গি  তথা জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়ার ছাত্র ২৪ বছরের আতিফ আমিন, ১৭ বছরের আজমগড়ের বাসিন্দা মুহাম্মদ সাজিদ এবং গুলির লড়াইয়ে মারা যান দিল্লি পুলিশের এনকাউন্টার বিশেষজ্ঞ ইনস্পেক্টর মোহনচাঁদ শর্মা। কিন্তু তাৎপর্যপপূর্ন বিষয় হল, দিগ্বিজয় সিং সহ কংগ্রেসের বড় বড় নেতাই বরাবরই দাবি করে এসেছে, এটি ভুয়ো এনকাউন্টার ছিল।

 

 


মঙ্গলবার বাটলা হাউস এনকাউন্টারের নয় বছর অতিক্রম করল। এনিয়েই জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি মানব বন্ধন এবং পদযাত্রা বের হয়। যেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু

 

 

 

হয়ে বাটলা হাউসের সেই এনকাউন্টার স্থলের পাশে শেষ হয়। জামেয়ার ছাত্রদের মানব বন্ধন করা সম্পর্কে জামিয়ার ছাত্র মীরান হাইদার টিডিএন বাংলাকে জানান, “জামিয়া সহ সকলেই বিশ্বাস করে যে,বাটলা হাউস এনকাউন্টারে যে দুই ছেলে এবং পুলিশ অফিসার মারা গিয়েছিল, এটি একটি রাজনৈতিক খুন ছিল। আর এই এনকাউন্টারে যে দুজন খতম হয়েছিল তারা যদি সত্যিকারের জঙ্গি  হয় এবং এনকাউন্টার ভুয়ো না হয়, তবে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে এর সত্যতা সামনে নিয়ে আসা হোক।” বাটলা হাউসের স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আলমও বিশ্বাস করেন, এই এনকাউন্টার ভুয়ো ছিল।

 


এদিকে মঙ্গলবার যন্তর মন্তরে ন্যাশনাল উলমা কাউন্সিলের পক্ষ থেকেও বাটলা হাউস এনকাউন্টারের বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবিতে প্রতিবাদ সভা আয়োজিত হয়।