টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ২০১৯ লোকসভা ভোটে সারাদেশে বিজেপির জয়জয়কার। যার ফলেএকক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় দ্বিতীয়বার বিজেপি সরকার গঠন করেছে। এবার লোকসভা ভোটে জয়লাভের আশায় বিজেপি সারাদেশে মরিয়া হয়ে লড়াই চালিয়ে গেছে। ভোটে টাকার খেল জলভাত হলেও এবারে তা পৌঁছেছে নয়া উচ্চতায়৷ লোকসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলির আয়-ব্যয়ের উপর চালানো একটি সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করে ‘সেন্টার ফর মিডিয়া স্টাডিস’ বা সিএমএস৷ সেই সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি খরচ করেছে প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা৷ বলা যেতেই পারে, গণতন্ত্রের লড়াইয়ে ধনতন্ত্রের জয়জয়কার৷

ভোটের মরশুম শেষ হয়েছে। মসনদে মোদি সরকার। গোটা দেশজুড়ে মোদির জয়-জয়কার হলেও নতুন করে জোর বিপাকে পড়েছেন বলিউড অভিনেতা তথা গুরদাসপুরের নবনির্বাচিত বিজেপির সাংসদ সানি দেওল। তাঁর বিরুদ্ধে লোকসভার নির্বাচনী প্রচারে মাত্রাতিরিক্ত খরচের অভিযোগ উঠেছে। আর তা যদি সত্যি প্রমাণিত হয় তবে তার জন্য রয়েছে চরম শাস্তি। এমনকি খোয়া যেতে পারে সানির সাংসদ পদও।

ইতিমধ্যে বলিউড অভিনেতা তথা সাংসদকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আর তাতেই তিনি তাঁর সাংসদ পদ আশঙ্কায় রয়েছেন। কারণ অভিযোগ প্রমাণিত হলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে পারেন সানি। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এমনকী, শাস্তিস্বরূপ খোয়াতে পারেন তাঁর সাংসদ পদও।

উল্লেখ্য, প্রত্যেক প্রার্থীর প্রচারের জন্যই নির্দিষ্ট খরচ বেঁধে দেওয়া থাকে নির্বাচন কমিশনের তরফে। এক জন প্রার্থী ৭০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারেন। কিন্তু, সানি সেই মাত্রা অতিক্রম করে প্রায় ৮৬ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন। এমনটাই জানা গিয়েছে সূত্রের খবরে। এই মর্মে সম্প্রতি একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে কমিশনের কাছে। তার পরই অভিনেতাকে নোটিস পাঠানো হয় কমিশনের তরফে। নির্বাচনী খরচ সংক্রান্ত নিয়মাবলি লঙ্ঘন করলে বিজয়ী প্রার্থীর সাংসদ পদ পর্যন্ত বাতিল করতে পারে কমিশন।

উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগে প্রায় অন্তিম মুহূর্তেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন সানি দেওল। পাঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান সুনীল জাখরকে ৮০ হাজার ভোটে হারিয়ে গুরদাসপুর থেকে জয়লাভ করেন। এই মঙ্গলবার অর্থাৎ ১৮ জুন সাংসদ হিসাবে শপথ নেন সানি। উল্লেখ্য, সপ্তম দফা নির্বাচনের আগে কমিশনের তরফে বেঁধে দেওয়া সমসয়সীমার বাইরে গিয়ে প্রচার করায় নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। মা হেমা মালিনিও গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হিসেবে মথুরাপুর থেকে জিতেছেন। পুত্র এবং স্ত্রীর এহেন জয়ে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত ধর্মেন্দ্র।