টিডিএন বাংলা ডেস্ক : দল বিরোধী কার্যকলাপের জেরে বহিস্কার করা হয়েছিল। খারিজ হয়েছিলেন রাজসভার সাংসদ দ্বারা। জনতা দলের ইউনাইটেড সব রকম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিল।কিন্তু রাজনীতির অঙ্কে সুযোগমতো সব শূন্য আবার পূর্ণ হয়ে ওঠে। শরদ যাদববের ক্ষেত্রেও তেমন অঙ্কই প্রযোজ্য হল। বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে তার অভিজ্ঞতায় আস্থা রেখে প্রার্থী করল আরজেডি। শরদ যাদব লড়বেন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে।

বিজেপিকে রুখতে এবার বিহারে মহাজোট করছে অন্যান্য আঞ্চলিক দলগুলি। শুক্রবার তারা ৪০ আসনে নিজেদের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করেছে।তারমধ্যে আরজেডি ২০টি আসনে লড়ছে। কংগ্রেস প্রার্থী দেবে ৯ টি আসনে।উপেন্দ্র কুশাওয়াহার নতুন দল আরএলএসপি ৫ টি আসন, ভিআইপি ৩টি এবং হিন্দুস্তান আইয়াম মোর্চা লড়বে ৩ টি আসনে।

মাত্র ১টি আসন ছাড়া হয়েছে বামদের। বেগুসরাইয়ে প্রার্থী হিসাবে নাম উঠছিল জেএনইউর জনপ্রিয় ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারের। কিন্তু তা না হওয়ায় প্রার্থীতালিকা ঘোষণা হওয়ার পর চূড়ান্ত অসন্তোষ দেখা গেল সিপিআই- তে। জোট ছাড়তে সুর চড়ালেন কানহাইয়া কুমার। সিপিআই সাধারণ সম্পাদক সুধাকর রেড্ডি জানিয়েছেন, ‘আমরা আরজেডি প্রধান কারাবন্ধি লালুপ্রসাদ যাদবের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সবটা ঠিক করেছিলাম। কিন্ত বাস্তবে জোটধর্ম পালন করা হয়নি। লালুর বদলে আপাতত তেজস্বী যাদব আরজেডি – দায়িত্বে। কিন্তু তিনি যা করলেন, তাতে আমরা বিস্মিত।

তবে আরজেডি সূত্রে খবর, তেজস্বী যাদব মোটেও কানহাইয়া কুমারকে পছন্দ করেছেন না। কারণ জোট সংক্রান্ত আলোচনার সময় বেশ কয়েকবার কানহাইয়া কে ফোন করেছিলেন তেজস্বী।কিন্তু তিনি সেভাবে আগ্রহ দেখাননি। তাই যথারীতি প্রার্থীতালিকা থেকে বাদ পড়েছেন তরুণ সিপিআই নেতা।