টিডিএন বাংলা ডেস্ক :  একটা জঙ্গি হামলা চুপসে দিয়েছে মোদীর গর্বের ফানুস। সারা দেশ আজ শাকস্তব্ধ। এই রকম পরিস্থিতিতে সেনার হালহকিকত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এব্যাপারে খোঁজ নিতে গিয়ে শিউড়ে উঠতে হল! এক চমকে দেওয়া পরিসংখ্যান সামনে এসে যা মোদী সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলার জন্য যথেষ্ট।

সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে মোদী রমরমিয়ে প্রচার করেছে। রাফালে যুদ্ধ কিনতে মরিয়া মোদীর যুক্তি প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে হবে। ভারতীয় সেনার শৌর্য-বীর্যের গাথা শোনাতে সব সময়ে তৎপর নরেন্দ্র মোদী ব্রিগেড। কিন্তু অন্ধকার চাপা রইল না।

খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রিপোর্টেই রেকর্ড সেনার আত্মহত্যার খবর প্রকাশ্যে আসছে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, শুধু ২০১৮ সালেই আত্মহত্যা করেছেন ৯৬ জন জওয়ান। এখানেই শেষ নয়। জানা যাচ্ছে, ২০১৬ সালে ৯০ জন, ২০১৭ সালে ১২১ জন ও ২০১৮ সালে ৯৬ জন সিএপিএফ জওয়ান আত্মহত্যা করেছেন।

রিপোর্টে পরিষ্কার, শুধু সিএপিএফ নয়, রেকর্ড আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে স্থল সেনা, নৌ- সেনা, বায়ুসেনার মধ্যেও। ২০১৮ সালে ৮০ জন সেনা জওয়ান আত্মহত্যা করেছেন। ২০১৬ সালে সেই সংখ্যা ছিল ১০৪ জন ও ২০১৭ সালে তা ছিল ৭৫ জন। অন্য দিকে, ২০১৮ সালে নৌসেনার ৮ জন ও বায়ুসেনার ১৬ জন আত্মহত্যা করেছেন। অর্থাৎ প্রতি বছর গড়ে ৮৭ জন করে ভারতীয় সেনা জওয়ান মারা যাচ্ছেন।

কিন্তু কেন এই আত্মহত্যার ঢল? অতীতে তেজবাহাদুর যাদব নামে এক সেনা জওয়ান খারাপ খাবারের প্রতিবাদ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন। জওয়ানদের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ-একথা তাঁরা জানেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও এমন কী ঘটছে, যে তাঁরা আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন। তেজ বাহাদুরের প্রতিবাদ থেকে সেনাবাহিনীর খাবারের খারাপ মান সম্পর্কে জানতে পেরেছন দেশবাসী। আর কী কী কারণ সেনার জীবন অসহায় করে তুলছে, তা ভাবাচ্ছে দেশবাসীকে। কী বলবেন মোদী!