টিডিএন বাংলা ডেস্ক : এমন একটা দিন নেই যেদিন কাশ্মীরি যুবক নিহত হচ্ছে না। কাশ্মীরি যুবকদের সন্ত্রাসী তকমা দিয়ে শেষ করা হচ্ছে। এই অভিযোগ করলেন জম্বু কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা সৈয়দ আলী শাহ গীলানি। রবিবার কুলগামে পাঁচজন জঙ্গি নিহত হয় সেনা অভিযানে। নিহত যুবকদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে এই কাশ্মীরি নেতা বলেন, নিহত যুবকরা তাদের মৌলিক দাবি নিয়ে আন্দোলন করছিল, তারা কেউই সন্ত্রাসী কাজে যুক্ত ছিল না। কাশ্মীরে আজাদী আন্দোলন চলছে দীর্ঘ সময় থেকেই। বহু যুবক এই আন্দোলনে নিহত হয়েছে। কিন্তু গত বছর সেনা জওয়ান দের হাতে কাশ্মীরি যুবক নিহত হওয়ার ঘটনা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গিয়েছে। হুরিয়ত চেয়ারম্যান বলেন, বরাবরই প্রশাসন শক্তি প্রয়োগ করে সমাধানের রাস্তা খুঁজছে। যত বেশি হত্যা হচ্ছে ততই আজাদী আন্দোলন জোরদার হচ্ছে।

উল্লেখ্য, কাশ্মীরে হুরিয়ত কনফারেন্স সংগঠনের প্রভাব অনেক বেশি। হুরিয়তের ডাকে বনধ পালন হয় সর্বত্রই। হুরিয়তের কথায় ভোট বয়কট চলে। ইদানিং তাদের ভাষায় কথা বলতে হচ্ছে মূলস্রোতের রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স ও মেহবুবা মুফতির পিডিপিকেও।সকলেই মনে করেন, হুরিয়ত নেতারাই কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মূল প্রেরণা। যার ফলে প্রশাসন বেশিরভাগ সময়ই নেতাদের গৃহবন্দী বন্দি করে রাখতে বাধ্য হয়। তবুও কেন্দ্রীয় সরকার কিংবা রাজ্য সরকার যাদেরকে জঙ্গি আখ্যা দিয়ে হত্যা করছে,তাদের জানাজা নামাজে উপস্থিত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। ফারুক আবদুল্লাহ, ওমর আবদুল্লাহ, মেহবুবা মুফতির আমলেও এইভাবে জঙ্গি হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে হুরিয়ত নেতারা।