টিডিএন বাংলা ডেস্ক : ১৮ বছর বয়সেই যদি একজন মানুষ প্রাপ্তবয়স্ক হবে, সেই বয়সেই তাকে ভোটাধিকার দেয়া হবে, তাহলে পুরুষদের জন্য ১৮ বছর বয়সকে আইনত বিয়ের বয়স হিসেবে কেন ধরা হবে না? এমনই প্রশ্ন জাতীয় ল’ কমিশনের।

এই যুক্তিতেই ছেলেদের বিয়ের বয়স ২১ থেকে কমিয়ে ১৮ করার সুপারিশ করেছে কমিশন। ছেলে ও মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়সের যে ফারাক আছে তা লোপ করার পক্ষেই কমিশন। খবর কলকাতা টুয়েন্টিফোরের।

কমিশন বলছে, ইন্ডিয়ান মেজরিটি অ্যাক্ট, ১৮৭৫ অনুযায়ী পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে সকলের আইনত বিয়ের বয়স ১৮ হওয়া উচিৎ। পুরুষ ও মহিলার বিয়ের বয়সের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকা উচিৎ নয়। কমিশন মনে করে, ছেলে ও মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়সে পার্থক্যের কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই।

১৮ বছর বয়সে একটি মেয়ে আইনত বিয়ের যোগ্য হলে একই বয়সে একটি ছেলে কেন হবে না তার জবাব কারো কাছে নেই বলে মনে করে কমিশন।

কমিশনের ব্যাখ্যা, প্রচলিত ধারণার বশবর্তী হয়েই ছেলে ও মেয়ের বিয়ের ন্যূনতম বয়সে পার্থক্য রাখা হয়েছে। অনেকে মনে করেন স্ত্রীর বয়স স্বামীর চেয়ে কম হওয়া উচিত। এ ছাড়া ১৮ বছর বয়সে কেউ যদি সরকার নির্বাচিত করার অধিকার পায় তাহলে জীবনসঙ্গী বাছার অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত করা হবে?