ছবি সংগৃহিত

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : অবশেষে ফাঁস হয়ে গেল তথাকথিত হলুদ মিডিয়াগুলির চক্রান্ত। হরিয়ানার পালওয়াল এলাকার খুলাফায়ে রাশেদিন মসজিদে সন্ত্রাসী অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। মসজিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি মাইনরিটি কমিশন (ডিএমসি)। কমিশনের তদন্ত কমিটির তরফ থেকে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।

মাসখানেক আগে ‘সন্ত্রাসবাদী সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার টাকায় মসজিদ বানানো হয়েছে হরিয়ানায়’ এই শিরোনামে দেদার খবর বিক্রি করেছিল কিছু মিডিয়া। খবরে দাবি করা হয়েছিল, এলাকার গরিব গ্রামগুলিতে মেয়েদের বিয়ে দিতেও দেদার টাকা বিলোচ্ছে কট্টর জঙ্গি হাফিজ সাঈদের হাতে গড়া সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। ওই মসজিদের ইমামকে জেরা করে একথা জানতে পেরেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)।

ভিত্তিহীন এইসব অভিযোগ তদন্তে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়েছে। মানবাধিকার কর্মী ও দিল্লি মাইনরিটি কমিশন (ডিএমসি) উপদেষ্টা ওভিস সুলতানের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের প্যানেল তদন্ত শেষে জানিয়েছে, একটি অজ্ঞাত সূত্রের অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) পালওয়ালের এই ‘খুলাফায়ে রাশেদিন’ মসজিদ তৈরীতে পাকিস্তান ভিত্তিক সন্ত্রাসী হাফিজ সাঈদের সন্ত্রাসী সংস্থা ‘ফালাহ-ই-ইনসানিয়াত’ অর্থ বিনিয়োগ করেছে বলে সন্দেহ করে।

ডিএমসি রিপোর্ট অনুযায়ী মসজিদ ও মাদ্রাসার নির্মাণের জন্য স্থানীয় মুসলমান ও হিন্দুরা ১০ একর জমি দান করেছেন।
ওভিস সুলতান জানান, ‘গ্রামে তাঁর পূর্বপুরুষদের জমি বিক্রি করার পর সালমান খান কিছু টাকা দান করেছেন। সুতরাং, মসজিদের দেওয়া অর্থ বা তহবিলের মধ্যে বিদেশী সন্ত্রাসী সহযোগিতার কোন প্রশ্ন নেই।’ প্রসঙ্গত, গ্রেফতার হওয়া মসজিদের ইমাম সালমান এসব করতে পারেন, গ্রামের অনেকেই তা মানতে চাননি তখনই। গ্রামের এক বাসিন্দা খালিদ হোসেন বলেছিলেন, ‘গ্রামের কেউই এসব বিশ্বাস করবে না। সালমান খুব বড় পরিবারের ছেলে। ওই পরিবারের কারও নাম নেই পুলিশের খাতায়।’