টিডিএন বাংলা ডেস্ক : গত ৪৫ বছরের তুলনায় ২০১৭-১৮ সালে দেশে বেকারত্বের হার গত ৬.১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এর খবরানুযায়ী, এই তথ্য ন্যাশনাল সেম্পেল সার্ভে অফিস(এনএসএসও) এর পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে (পিএলএফএস) এর রিপোর্ট থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

এই রিপোর্ট প্রকাশ না করার কারণে জাতীয় পরিসংখ্যান কমিশনের নির্বাহী চেয়ারম্যান (এনএসসি) সহ দুই সদস্য সোমবার পদত্যাগ করেন। কমিশন এই রিপোর্টকে অনুমোদন দেওয়া সত্ত্বেও সরকার এটি প্রকাশ করেনি এনএসএসও জুলাই ২০১৭ থেকে জুন ২০১৮ পর্যন্ত এই পরিসংখ্যান সংগ্রহ করেছে। ২০১৬ সালের নভেম্বরে নোটবন্দীর পর এই প্রথম রোজগারের উপর জরিপ সামনে এল।

রিপোর্ট অনুসারে, ১৯৭৩-৭৩ এর আগে বেকারত্বের সংখ্যা এত বেশি ছিল। ২০১১-১২ সালে দেশে বেকারত্বের হার হ্রাস পেয়েছিল ২.২ শতাংশ। ২০১১-১২ অর্থবছরের গ্রামীণ যুবকদের মধ্যে বেকারত্বের হার (১৫-২৯ বয়সের) ছিল ৫ শতাংশ, এবং ২০১৭-১৮ সালে এই বৃদ্ধি ১৭.৪ শতাংশ । একই সময়ে, একই বয়সের গ্রামীণ মহিলাদের মধ্যে বেকারত্বের হার ২০১১-১২ সালে ৪.৮ শতাংশ থেকে ২০১৭-১৮ সালে ১৩.৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

একইভাবে, ২০০৪-০৫ এবং ২০১১-১২ -এর মধ্যে শিক্ষিত গ্রামীণ নারীর মধ্যে, বেকারত্ব হার ছিল ৯.৭ শতাংশ এবং ১৫.২ শতাংশ, যেখানে ২০১৭-১৮ সালে এটি বেড়ে ১৭.৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

এদিকে শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ হার (চাকরি খোঁজার জন্য সক্রিয় সংখ্যক লোক )ও হ্রাস পেয়েছে। ২০০৪-০৫ থেকে শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার বেড়ে গিয়ে ২০১১-১২ অর্থবছরে ৩৯.৫ শতাংশ হয়েছিল, ২০১৭-১৮ সালে এটি কমে গিয়ে হয়েছে ৩৬.৯ শতাংশে ।

এর আগে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনোমির জরিপে দেখা গেছে, নোটবন্দী হওয়ার পরে ২০১৭ সালের প্রথম চার মাসে ১৫ লাখ ভারতীয় চাকরি হারিয়েছিল।