টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ১৭তম লোকসভায় বিজেপির আধিপত্য বেড়েছে। এই লোকসভাতেও মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কম। গত বারের চেয়ে সংখ্যা বেড়েছে। ২৩ থেকে সেই সংখ্যা বেড়ে ২৫। প্রশ্ন হল মুসলিমদের সংসদীয় রাজনীতিতে সেভাবে প্রতিনিধিত্ব বাড়ছে না কেন? সেভাবে তাঁদের কি টিকিট দেওয়া হচ্ছে না? এবার বিজেপির রমরমা। ২ জন মুসলিম সাংসদের প্রতিনিধিত্ব বাড়তে চলেছে, তাঁরা কেউ বিজেপির সদস্য নন।

৫৪২ আসন বিশিষ্ট লোকসভায় বিজেপি ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। আশ্চর্য হল তাদের একজনও মুসলিম সাংসদ নেই। দল বাংলায় ২ জন মুসলিম প্রার্থীকে টিকিট দিয়েছিল। এই রাজ্যে মোট জনসংখ্যার ২৭ শতাংশ মুসলিম। লক্ষাদ্বীপে একজন মুসলিমকে টিকিট দেওয়া হয়েছিল। সেখানে ৯৫ শতাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের বাস। জম্মু কাশ্মীরে ৩ জন মুসলিমকে টিকিট দেওয়া হয়। এই ৬ জনের একজনও জয়ী হতে পারেননি।
উত্তর প্রদেশে এসপি ও বিএসপির ৩ জন করে মুসলিম সাংসদ থাকতে চলেছেন লোকসভায়। তাঁরা হলেন, বিএসপির কানোয়ার দানিশ আলি, আফজাল আনসারি, হাজি ফাজলুর রেহমান। এসপির মুসলিম সাংসদরা হলেন এসটি হাসান, সেইফাক রেহমান বার্ক, আজম খান।

মুসলিম প্রতিনিধিত্বের বিচারে এরপরের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। তৃণমূল থেকে ৫ জন মুসলিম সাংসদ লোকসভায় যেতে পারেন। হায়দরাবাদ থেকে এবারও লোকসভায় যাচ্ছেন আসাদউদ্দীন ওয়সী। কেরালায় ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের ই টি মহম্মদ বাসির ও পিকে কুনহালিকুট্টি জয়ী হয়েছেন। মুসলিমদের লোকসভায় কেন সেভাবে প্রতিনিধিত্ব বাড়ছে না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁদের যে বেশি করে অশংগ্রহণ প্রয়োজন, তা বোধহয় বলার অপেক্ষা রাখে না।