টিডিএন বাংলা ডেস্ক : লোকসভা নির্বাচনে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করছে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দপ্তর! এককথায় এরকম দৃষ্টান্ত অতীতে আছে বলে সিইও দপ্তরের কেউই স্মরণ করতে পারলেন না। তবে এবার লোকসভা নির্বাচনে এরাজ্যের পরিস্থিতি দেশের আর পাঁচটা রাজ্যের থেকে ভিন্ন। এরাজ্যের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রবল চাপের মুখে নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতিতে প্রথম দফার নির্বাচনের ২৬ দিন আগে রাজ্যে ৬ জন ডিভিসনাল (বিভাগীয়) কমিশনারকে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করল এরাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। এঁদের বলা হচ্ছে ‘অ্যাক্সিসিবিলিটি অবজার্ভার’। বৃহস্পতিবার রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সঞ্জয় বসু বলেন, ‘এই বিশেষ পর্যবেক্ষকরা সিইও দপ্তরের সঙ্গে জেলায় জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের কাজের সেতুবন্ধন করবেন। তদারকি করবেন। ঠিকঠাক কাজ হচ্ছে কিনা দেখবেন। কমিশনের নির্দেশ কোথাও ঠিক মতো মানা না হলে ধরিয়ে দেবেন। শুক্রবার সিইও আরিজ আফতাব বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে যে ভিডিও কনফারেন্স করবেন তাতে ওই ৬ জন বিভাগীয় কমিশনারের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সকালে হাওড়া স্টেশনে ১০ কোম্পানি অর্থাৎ প্রায় ১০০০ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে নিয়ে বিশেষ ট্রেন পৌঁছাবে। সিইও দপ্তর সূত্রে খবর, শনিবার থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী পর্যায়ক্রমে রাজ্যে ঢুকতে শুরু করবে। শুক্রবার যে বাহিনী আসছে তার মধ্যে ২ কোম্পানি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাকিটা উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর দিনাজপুর, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান এবং কলকাতায় ১‍ কোম্পানি করে দেওয়া হবে। অন্যদিকে উপনির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন শনিবার সকালে কলকাতায় এসে পৌঁছাবেন। ওই দিন তিনি সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিলিত হবেন। তারপর রাজ্য প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করবেন।