টিডিএন বাংলা ডেস্ক : আরএসএস বহুমুখী এক ভয়ঙ্কর শক্তি। একমাত্র বামপন্থীরাই পারে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে। কারণ লাল ঝান্ডা কোন কিছুর সঙ্গে আপস করে না। শনিবার এক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। এদিন তিনি বলেন, একটা উগ্র শক্তি ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মিশিয়ে সাম্প্রদায়িকতা তৈরি করে গণ আন্দোলনকে ছারখার করে দিতে চাইছে। এখন এটাই শাসকের লক্ষ্য। এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে আমাদের।

এদিন কণ্ঠস্বর নেতাজি নগর,টালিগঞ্জের উদ্যোগে সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধে গণ আন্দোলনের ভূমিকা শীর্ষক এক আলোচনাসভার আয়োজন হয়। বক্তব্য রাখেন হান্নান মোল্লা। আলোচনা শুরুর আগে হেমাঙ্গ বিশ্বাসের প্রতিবাদী গান পরিবেশন করেন তাঁর কন্যা রঙ্গিলী বিশ্বাস ও সহ শিল্পীরা। এক উত্তাল সময়ে প্রতিবাদী গান রচনার মধ্য দিয়ে যেভাবে গণ আন্দোলনের তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছিলেন হেমাঙ্গ বিশ্বাস, গানের মাঝে মাঝে সেইসব পটভূমিকার ক্ষেত্রগুলি ব্যাখ্যা করেন শিল্পীরা। আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠস্বরের সম্পাদক সৌমিত্র ব্যানার্জি এবং সভাপতি জয় বসু।

হান্নান মোল্লা বলেন, ধর্ম মানেই সাম্প্রদায়িকতা নয়। ধর্মকে নেতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করলে তা সাম্প্রদায়িকতা। এটা রাজনৈতিক ক্ষমতার বাহন। যা বিভ্রান্তি আর বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে। এর মূলে রয়েছে আরএসএস। এর আবার বিভিন্ন উৎসমুখও আছে। আছে নানান নাম। এর মূল কথা হলো খণ্ড খণ্ড পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া। হিন্দুত্ব কায়েম করা। এর আগে বহু লড়াই হয়েছে সামন্ততন্ত্রের বিরুদ্ধে। লড়াই হয়েছে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে। এবার সামনে লড়াই পুঁজিবাদ ও জাতপাতের বিরুদ্ধে। এছাড়াও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই তো চলছেই।