টিডিএন বাংলা ডেস্ক : শীর্ষ আদালত সোমবার জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনকে তিন মাস সময়সীমা বেঁধে দিল। কারা সংখ্যালঘু এবং সংখ্যালঘু কিভাবে চিহ্নিত করা হবে তার উপর স্পষ্ট নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশ দিল কমিশনকে। বিজেপি নেতা এবং আইনজীবী অশ্বিন কুমার উপাধ্যায় ২০১৭ সালের শীর্ষ আদালতে আর্জি জানায় যে সাতটি রাজ্যে এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়কে সংখ্যালঘু মর্যাদা দিতে হবে। তার যুক্তি ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এসব রাজ্যে জনসংখ্যার নিরিখে হিন্দুদের উপস্থিতি কম। অতএব তারা সংখ্যালঘু মর্যাদার দাবী রাখে। সেই আর্জির পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার সংখ্যালঘু কমিশনকে সুপ্রিম কোর্ট উল্লেখিত নির্দেশ দেয়। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর অধীনে গঠিত বেঞ্চ আবেদনকারী আশ্বিন কুমার উপাধ্যায়কে তার আবেদনের কপি সংখ্যালঘু কমিশনের কাছে পুনরায় পেশ করতে বলে। আদালত সংখ্যালঘু প্যানেলকে কয়েক মাসের মধ্যেই জবাব পেশ করার নির্দেশ দেয়।

আবেদনকারীর মতে, ‘সংখ্যালঘু’ এই পরিভাষা কে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজন রয়েছে এবং দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার নিরিখে নয়, রাজ্যস্তরে কোনও সম্প্রদায়ের উপস্থিতি কত সেই পরিসংখ্যানের নিরিখে সংখ্যালঘু শব্দটি কে পুনর্বিবেচনা করা দরকার।অশ্বিন কুমার আরও বলেন, জাতীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার পরিসংখ্যান অনুযায়ী হিন্দু সম্প্রদায় সংখ্যাগুরু।অথচ জম্মু কাশ্মির এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু রাজ্যে হিন্দুরা সংখ্যায় অনেক কম।অথচ এই সমস্ত রাজ্যে সংখ্যালঘু বলে পরিচিত মুসলিম, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টানরা যে সমস্ত সু্যোগ সুবিধা পাচ্ছে তা থেকে বঞ্চিত সংখ্যালঘু হিন্দুরা।