New Delhi: Union Home Minister Rajnath Singh, Parliamentary Affairs Minister Narendra Singh Tomar and others during an all-party meeting on the Pulwama terror attack at Parliament House, in New Delhi, Saturday, Feb. 16, 2019. (PTI Photo)(PTI2_16_2019_000020B)

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতা রক্ষা করতে ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নিরাপত্তারক্ষীদের পাশে আছে গোটা দেশ। এদিন সংসদ ভবনে সর্বদল বৈঠকে এই প্রস্তাব পাশ হয়েছে। পুলওয়ামার হামলার পর এদিন মোদী সরকার সর্বদল বৈঠকে ডেকেছিল। সেখানে সব বিরোধী দল সরকারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে।

এদিন বৈঠকে যেকোনো রকম সন্ত্রাসবাদ, সীমান্তে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার তীব্র নিন্দা করে প্রস্তাব পাশ হয়। পাকিস্তানের নাম না করে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়। সরকার পুলওয়ামা হামলার পর কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেব্যাপারে বিরোধী দলগুলির প্রতিনিধিদের জানানো হয়। সারা দেশ আজ এক সুরে সন্ত্রাস মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারে সওয়াল করেছে।

গতকাল কাশ্মীরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ। এদিন তিনি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এছাড়াও হাজির ছিলেন কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ, আনন্দ শর্মা, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, শিবসেনার সঞ্জয় রাউত, সিপিআই নেতা ডি রাজা, এনসি নেতার ফারুক আবদুল্লা, এলজিপি নেতা রামবিলাস পাসওয়ান, আরএলএসপি-র উপেন্দ্র খুসওয়া প্রমুখ।

বৈঠকের পর কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ বলেন, সন্ত্রাস রুখতে সরকারের পাশে আছে কংগ্রেস। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের পাশে আছি। কাশ্মীর বা দেশের অন্য কোনো প্রান্ত হলেও সন্ত্রাসবাদকে বরদাস্ত করা যায় না।  একই সুর শোনা গিয়েছে বাকি দলগুলোর গলাতেও।

শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, “এটা একটা সঙ্কটময় মুহূর্ত। রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে সকলকে একজোট হয়ে লড়তে হবে।” এই হামলার পর গোটা দেশ ক্ষোভে ফুঁসছে। ‘বদলা চাই’ আওয়াজ উঠছে দেশের কোণা কোণা থেকে। বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হচ্ছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুর চড়ছে দেশবাসীর। এমন একটা পরিস্থিতিতে সরকার কী পদক্ষেপ করবে তা নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে। মোদী শুক্রবারে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যারা এই হামলা চালিয়েছে, তারা খুব বড় ভুল করেছে। এর মূল্য তাদের চোকাতেই হবে। শনিবারেও একই ভাষা শোনা যায় মোদীর মুখে। এছাড়া বিরোধী দলগুলির সমর্থনও পেয়ে গেলেন মোদী। সন্ত্রাস রুখতে তাঁর যোকোনো কঠোর পদক্ষেপের পাশে আছে দেশ। মোদী কী করেন, সেটাই এখন দেখার।