আসামের তিনসুকিয়ায় তৃণমূল প্রতিনিধিরা

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : আসামের তিনসুকিয়ায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের হাতে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।

আজ তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েনের নেতৃত্বে সাংসদ নাদিমুল হক, সাংসদ মমতা ঠাকুর ও বিধায়ক মহুয়া মিত্র শোকাহত পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের পাশে আছেন বলে বার্তা দিয়েছেন। তৃণমূলের ওই প্রতিনিধি দলের কাছ থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস পেয়ে শোকাহত ওই পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

লোকসভার সদস্যা মমতা ঠাকুর এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আসামে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের চরম ব্যর্থতার নিদর্শন। যেভাবে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে পাঁচ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা অত্যন্ত মর্মাহত! তাঁদের সেই দুঃখ ও বেদনার শরিক হওয়ার জন্য আমরা এদের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁরা আমাদেরকে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাতে আমি নিজেও অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হয়েছি, বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তাঁদের পাশে আছেন এই বার্তা তাঁদেরকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।’

ভবিষ্যতে যোগাযোগ করার জন্য ওঁদের নাম, ফোন নম্বর ইত্যাদি নেওয়া হয়েছে বলেও লোকসভার সদস্যা মমতা ঠাকুর বলেন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনসুকিয়া জেলার খেরাবাড়ি এলাকায় পাঁচ বাঙালি যুবককে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে সামরিক পোশাক পরা অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা। ভয়াবহ ওই ঘটনায় আলফা (স্বাধীন) জঙ্গি গোষ্ঠীকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সন্দেহ করা হলেও তারা এক বিবৃতিতে ওই ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে। ভয়াবহ ওই ঘটনায় আসামে বাঙালিদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আসাম পুলিশ এরইমধ্যে ওই ঘটনায় উগ্রপন্থি সংগঠন ‘উলফা’র লিঙ্কম্যান সন্দেহে দেখলাই গগৈ সহ আলোচনাপন্থি উলফা নেতা মৃণাল হাজারিকা ও আরেক নেতা জিতেন দত্তকে গ্রেফতার করে ওই ঘটনার কিনারা করার চেষ্টা করছে।