টিডিএন বাংলা ডেস্ক: দেশের সর্ববৃহৎ রাজ্যে উত্তরপ্রদেশে গত ২ বছরে যোগীর শাসনে বেকারত্ব বেড়েছে ৫৮ শতাংশ। কর্মহীন হয়েছেন ৩৪ লক্ষ যুবক-যুবতী। পরিসংখ্যান প্রকাশিত হওয়ার পরই শোরগোল পড়ে গিয়েছে যোগীরাজ্যে। কিছুদিন আগে ধর্ষণের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে নাম উঠেছিল উত্তরপ্রদেশের। এবার বেকারত্বের এমন হাল নিয়ে ফের শিরোনামে উঠে এলো যোগীরাজ্যে। বিধানসভা অধিবেশনে বিরোধীদের চাপে ভয়াবহ এই সংখ্যাটাই প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে যোগী সরকার।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় বিরোধীদের প্রশ্নোত্তর পর্বে যোগী মন্ত্রীসভার শ্রমমন্ত্রী স্বামী প্রাসাদ মৌর্য জানান, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত রাজ্যের বর্তমান বেকারত্বের সংখ্যা ৩৩.৯৩ লক্ষ। সরকারি পোর্টালে ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীর নাম নথিভুক্ত হয়েছে ৩১.৩৯ লক্ষ। এই সংখ্যাটা শেষ দুই বছরে বেড়েছে ৫৮.৪৩ শতাংশ। পরিস্থিতি যে ভয়াবহ তা স্বীকার করে নিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারও। যদিও কী কারণে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি, তা নিয়ে মুখ খোলেনি সরকার।

সেন্ট্রাল ফর ইন্ডিয়ান ইকোনমির তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে বেকারত্বের নিরিখে ২০১৮ সালে যোগী রাজ্যে বেকারত্বের হার যেখানে ছিল ৫.৯১ শতাংশ সেটাই দ্বিগুণ হয়ে বর্তমানে হয়েছে ৯.৯৫ শতাংশ। এখানে ১০ শতাংশ বেকারত্বের অর্থ প্রতি ১০০ জনে অন্তত ১০ জন কর্মহীন উত্তরপ্রদেশে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশ। এখানকার মোট জনসংখ্যা ২০ কোটি। গোটা দেশের নিরিখে যা ১৬ শতাংশ। যদিও সরকারি এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর যোগী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে উঠেছে সেখানকার বিরোধীরা।