টিডিএন বাংলা ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রথমে বিজেপি শাসিত অসমে এনআরসি বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। এরপর চলতি বছরের গত ৩১ আগস্ট অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়। তাতে প্রায় ১৯ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। যার বেশিরভাগটাই বাঙালী হিন্দু। ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল’ এ বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা শিলমোহর দিয়েছে। এর পরেই অসমে-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে এই বিলের বিপক্ষে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। অসমীয়ারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে শুরু করেছে। বুধবার অসম সংখ্যালঘু সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে এই সংগঠনের সদস্যরা বিলটি পুড়িয়ে দেয়। এমনকী তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সানোয়ালের কুশপুতুল দাহ করে।

উল্লেখ্য, এই বিলে সংখ্যালঘুদের কথা উল্লেখ করা নেই। ফলে তাদের ওপর খাঁড়া নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই আশঙ্কা থেকেই রাস্তায় নেমে স্লোগান দিতে থাকে সংখ্যালঘু সংগঠনটি। অবিলম্বে বিলটি বাতিল করতে হবে বলে সোচ্চার হন। বিশ্বনাথ জেলায় এদিন জোর বিক্ষোভ দেখানো হয়। সেখানে বিলটি ছিঁড়ে ফেলার পক্ষে সওয়াল করা হয়।

এই আন্দোলন গোটা অসম জুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তাছাড়া আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এই বিল যখন সংসদে উঠবে তখন তাঁরা কি করবেন তা অবশ্য জানাননি সংগঠনের কেউই।