টিডিএন বাংলা ডেস্ক : একটিও মুসলিম প্রার্থী না দেওয়া বিজেপি উত্তরপ্রদেশে ৪ ভাগের ৩ ভাগ আসনে জয়ী হয়েছে। বহুজন সমাজবাদী পার্টি সর্বাধিক ১০২ জন মুসলিম প্রার্থী ময়দানে নামিয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা বিজেপির দখলে যাওয়ার পর কী বলছেন মুসলিমরা ?

অমীক জামেই লিখেছেন, “উত্তরপ্রদেশ হিন্দুবাদীদের হাতে চলে গেল, এরজন্য দায়ী অখিলেশের ভ্রষ্টতা।”
মোহাম্মদ জাহিদ ফেসবুকে লিখেছেন, “এই নির্বাচনী ফলাফল সপা এবং বসপার ভোটারদের বিজেপি এবং মোদির দিকে চলে যাওয়ার সঙ্কেত। মুসলিম ভোটের জন্য লড়তে থাকা সপা – বসপা বুঝতেই পারেনি তাদের অন্যান্য ভোট বিজেপিতে চলে যাবে।”
মোহাম্মদ খালিদ হুসেন লিখেছেন, “উত্তরপ্রদেশে বিজেপি নিজেদের ধর্মীয়করণ রাজনীতিতে সফল হয়েছে। বিজেপির অপ্রত্যাশিত জয় প্রমাণ করে দেশের জন্য দারিদ্র্য, বেকারত্ব, ক্ষুধার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ শ্মশান এবং রাম মন্দির।”
মোহাম্মদ ওসমান লেখেন, “যে লোকেরা থানায় দু’জন মুসলিম পুলিশের জায়গায় ১৮% সংরক্ষণ চেয়েছিলেন তারা এইবার একটা এফআইআর করে দেখিয়ে দিন।”
শাদমান আলি লেখেন, “মুসলমান সপা – বসপাকে ভোট দিয়েছে, অন্যান্য দলিত ওও যাদবরা বিজেপির সঙ্গ দিয়েছে।”
আলি খান লেখেন, “বিহারে মুসলমান এক হয়েছিল, সেকুলার এক ছিল। কিন্তু উত্তরপ্রদেশে ভাগ হয়ে গিয়েছে অথবা করা হয়েছে। ”
আলি সোহরাব লেখেন, “মুসলমান ভোটারদের মায়াবতী বিশ্বাসঘাতক বলেছিলেন, শিলা দিক্ষিতও বলেছেন। এইবার পালা অখিলেশের।”
আফরোজ আলম সাহিল লেখেন, “উত্তরপ্রদেশ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির একটি নতুন পরীক্ষাগার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।”
সালমান সিদ্দিকীর মন্তুব্য, “এইবার ভোট জাতির উপর ভিত্তি করে নয়, ধর্মের উপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হয়েছে ! বাকি সব আলোচনা, আলোচনা আর কী !”