টিডিএন বাংলা ডেস্ক: কালকেই শপথ গ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কারা মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। মোদী-শাহ শপথের আগেই ম্যারাথন বৈঠক করেন। পাঁচ বছর আগে নরেন্দ্র মোদী নিজেই কথায় কথায় বলতেন, ‘ন্যূনতম সরকার, সর্বোচ্চ প্রশাসন’। তা সত্ত্বেও নিজের মন্ত্রিসভাকে আড়ে-বহরে ছোট রাখতে পারেননি। প্রথমে কম হলেও পরে ধীরে ধীরে মন্ত্রিসভার বহর বাড়িয়ে সত্তর পার করিয়ে দিয়েছেন। এবারেও তা সীমিত সংখ্যায় ঠেকানো যাবে না। তার ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতি ভবনকে শপথের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। সাত নম্বর লোক কল্যাণ মার্গ। প্রধানমন্ত্রীর নিবাস। সেখানেই পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে গতকালসন্ধ্যা থেকে একান্ত বৈঠক করলেন মোদী ও অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণের আগে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম চূড়ান্ত করতে এই বৈঠক।

বিজেপির এক নেতার কথায়, ‘‘প্রধানমন্ত্রী ক’দিন আগে সংসদের সেন্ট্রাল হলে বলে দিয়েছেন, মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য একটি নির্দিষ্ট নিয়ম আছে, তার ভিত্তিতেই সব হবে। সকলকে জায়গা দেওয়া সম্ভব নয়। জাতপাতের সমীকরণ, বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব ইত্যাদি মাথায় রেখেই গড়া হবে মন্ত্রিসভা। এর সঙ্গেই শরিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দেওয়া হবে। পুরনো অনেক মুখও থাকছে। কিন্তু আসল প্রশ্নটি হল, অমিত শাহকে এখনই মন্ত্রিসভায় নিয়ে যাওয়া হবে, না কি আরও বছর কয়েক পরে? কারণ, দলের ভার বিশ্বস্ত নেতার হাতে ছেড়েই এই কাজটি করতে হবে মোদী-শাহকে। বিজেপির নিয়ম অনুসারে, এক ব্যক্তি এক পদই হয়। অর্থাৎ, এক সঙ্গে দুটি পদ ধরে রাখা যায় না। সেক্ষেত্রে অমিত মন্ত্রিসভায় আসবেন কিনা, এলে কী মন্ত্রক পাবেন, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।