টিডিএন বাংলা ডেস্ক: নিজের চোখেই বাবাকে গণপিটুনি ও কুপিয়ে খুন করতে দেখেছিলেন পেহলু খানের বড় ছেলে ইরশাদ। কিন্তু দু’বছর পরে পুলিশ তদন্তে “গুরুতর ত্রুটি” থাকার কারণে লিঞ্চিংয়ের মামলায় অভিযুক্ত ছয়জনকে রাজস্থানের জেলা আদালত মুক্তি দেয়। তারপরেই ইরশাদের জিজ্ঞাসা, “তখন কে আমার বাবাকে হত্যা করেছিল?” ইরশাদ বলেছেন যে, ৫৫ বছর বয়সী বাবার উপর হামলার কথা মনে পড়লে তিনি এখনও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

পেহলু খানের ছেলে বলেন, “আমি নিশ্চিত ছিলাম প্রত্যেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড না হলে কমপক্ষে ২০ বছর জেল হবে। তবে এই রায়টি পুরোপুরি আমাদের বিশ্বাসকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। আমি দেখেছি যে আমার বাবাকে একই লোকেরাই হত্যা করেছিল। কিন্তু আজ তারা খালাস পেয়ে গেল। অথচ তাদের মধ্যে একজন নিজেই স্টিং অপারেশনে আমার বাবাকে হত্যা করার কথা স্বীকার করেছিল। তিনি প্রশ্ন করেন পুলিশ প্রমাণ পাবে না কেন? আমার বাবা কি নিজেই মারা গেলেন? সে কি নিজেকে হত্যা করেছে? ” ইরশাদের জিজ্ঞাসা “অন্তত বলুন আমার বাবাকে কে হত্যা করেছে?”

পরিবার আইনী লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য বদ্ধপরিকর হলেও এত টাকা ব্যয় নিয়ে চিন্তিত বলেও জানান ইরশাদ। তিনি আরো বলে , “আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে আমরা কঠিন সময়ে পড়েছি। আমি পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী সদস্য। কিন্তু আমার আয়ের বেশিরভাগ অংশ ন্যায়বিচারের লড়াইয়ে ব্যয় করা হয়েছে। যদিও তিনি দৃঢ়তার সাথে জানান, আমি এই মামলা নিয়ে জয়পুরের উচ্চ আদালতে যাব।