টিডিএন বাংলা ডেস্ক: পুলওয়ামা হামলা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেন জম্মু-কাশ্মিরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লাহ।শ্রীনগরে ন্যাশনাল কনফারেন্সর সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফারুক আবদুল্লাহ পুলওয়ামা হামলার প্রসঙ্গ টেনেছেন।তিনি বলেছেন, পুলওয়ামা হামলা নিয়ে আমার নিজের সন্দেহ রয়েছে।তবে কি কারণে এই সন্দেহ, সে ব্যাপারে বিশদ কোনো ব্যাখ্যা দেননি ফারুক আবদুল্লাহ।
গত ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ভয়াবহ আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় ৪০ জন সি আরপিএফ জওয়ানের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে।এই ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় মোট ৪৯ জন সিআরপিএফ জওয়ান মারা গিয়েছেন।হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জেইস-ই-মুহাম্মদ।

দলীয় সমাবেশে ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন সংঘর্ষের ঘটনায় সেনা জওয়ানরা প্রাণ দিচ্ছেন। অথচ মোদি এ প্রজন্ত মৃত জওয়ানদের প্রতি একবারও শ্রদ্ধা নিবেদন করেননি।কেন মোদি এ ধরণের আচরণ করছেন? মোদি কি এপর্যন্ত কখনও মৃত জওয়ানদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন? জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলায় মৃত জওয়ানদের পরিবারের সঙ্গেও কেন দেখা করলেন না মোদি? এ সমস্ত কারণে আমার সন্দেহ আছে।

এর পাশাপাশি ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লাহ এই প্রশ্নও তুলেছেন, ছত্রিশগড় মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে সিআরপিএফ -এর সমস্ত জওয়ানদের মৃত্যূ হচ্ছে তাদের প্রতিও কখনও শ্রদ্ধা নিবেদন করেননি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।এদিকে বালাকোটে জঙ্গি শিবিরে বায়ুসেনার হানায় কখনও ৩০০,কখনও ৫০০ কিংবা ১০০০জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে সরকার।আসলে সরকারের তরফে এটাই দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, মোদি একজন সাহসী মানুষ।সবকিছুই মোদির পক্ষে করা সম্ভব।২৩ মার্চ পাকিস্তানের জাতীয় দিবসে পাকিস্তান হাই কমিশনের কার্যালয়ে অনুষ্টানে যোগ দিতে বিরত থাকার ডাক দিয়েও মোদি নিজে ওইদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন । আসলে বিজেপির যে অনেক রকম মুখ রয়েছে, এসব থেকে তা স্পষ্ট হয়।