টিডিএন বাংলা ডেস্ক: গণপ্রহার নিয়ে ফের উদ্বিগ্ন মীম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েসী। শুক্রবার তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে প্রশ্ন করেন, গণপ্রহার আটকাতে দেশে কেন সক্রিয় আইন তৈরি হচ্ছে না? এদিনও বিহারের সারান জেলায় গরুচোর সন্দেহে ৩ জনকে বেদম মারা হয়।

এদিন লোকসভায় হায়দ্রাবাদের সাংসদ প্রশ্ন করেন, আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করব, গণপ্রহার আটকাতে কেন আইন তৈরি হচ্ছে না? গত বছর সুপ্রিম কোর্ট গণপ্রহার আটকাতে আইন প্রণয়নের কথা বলেছে। যদি সুপ্রিম কোর্টের সব নির্দেশ মানা হয়, তাহলে এটা অমান্য করা হচ্ছে কেন?

মীম প্রধান বলেন, গণপ্রহারে ঘটনা নিয়ে তদন্ত ও অপরাধের শাস্তি বিধানে তিনি একটি খসড়া বিলের প্রস্তাব করেন। তিনি ট্যুইট করে বলেন, যাঁরা গণপ্রহারের শিকার তাঁরাও মানুষ। কারও বাবা, সন্তান, স্বামী। বাবা-মায়েরা তাঁর সন্তানের চিতা দেখতে পারেন?

অল ইন্ডিয়া মজলিস ই ইত্তেহাদুল মুসলিমেনের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েসী প্রধানমন্ত্রীকে গণপ্রহার আটকাতে আইন প্রণয়ন না করার জন্য প্রশ্ন করেন। তাঁর কথায়, এক বছর হল সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে, তাসত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রীর দফতর আইন প্রণয়ন করতে ভয় পাচ্ছে কেন? গণপ্রহার ঠেকাতে আগের লোকসভায় খসড়া বিলের প্রস্তাব করেছিলেন বলে জানান ওয়েসী।

শীর্ষ আদালত প্রতিটি জেলায় একজন করে নোডাল অফিসার নিয়েগের নির্দেশ দেয়। এছড়া এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়।

গত কয়েক মাসে গণপ্রহার ও তার জেরে মৃত্যুর ঘটনা দারুণভাবে বেড়েছে। যা উদ্বেগের মাত্রা বাড়িয়েছে। ১৮ জুন তবরেজ আনসারিকে বাইক চোর সন্দেহে মারা হয়। এফআইআর এ বলা হয়েছে, আনসারিকে জয় শ্রী রাম, জয় হনুমান বলতে বাধ্য করা হয়। চার দিন পর পুলিশ হেফাজতে তাঁর মৃত্যু হয়।