টিডিএন বাংলা ডেস্ক : ঘুষ খেতে গিয়ে ধরা খেলেন এক নারী পুলিশ কর্মকর্তাসহ তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে আসামের ধুবড়ি জেলায়। পুলিশ বলছে, ঘুষকাণ্ডে অভিযুক্ত অন্যদের সন্ধানেও তল্লাশি চলছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, আসাম পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্সের উপপরিদর্শক (এসআই) দিপালী বড়ুয়া গত বুধবার বীরেন হালই নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে যান। সঙ্গে ছিলেন এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও তিন পুলিশ কনস্টেবল। তল্লাশিতে তাঁর বাড়িতে দুই ড্রাম পেট্রল পাওয়া যায়। বেআইনিভাবে পেট্রল মজুতের অভিযোগে বীরেনকে গ্রেপ্তার করে গুয়াহাটির ভাঙ্গাঘর পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যান দিপালী।
এরপরই শুরু হয় পাল্টা নাটক। বীরেন হালই অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে ১০ লাখ রুপি ঘুষ চেয়েছিলেন দিপালী। তাঁর পরিবার চার লাখ রুপি দেয়। টাকা নিয়েও তাঁকে মুক্তি না দিয়ে থানায় আটকে রাখা হয়েছে।
বীরেন হালইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নামতেই গা ঢাকা দেন দিপালী। তবে শনিবার রাতে ধুবড়ি জেলার সপার থেকে দিপালীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় দুই পুলিশ কনস্টেবল সীমান্ত গগৈ ও রঞ্জিত হাজারিকাকে।
গ্রেপ্তারের পর দিপালী অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আজ রোববার তিনি সাংবাদিকদের কাছে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তিনি নির্দোষ।