ম্যাচের প্রথম দিনে ২৩ এবং দ্বিতীয় দিনে ১৭টি উইকেট মিলিয়ে মোট ২ দিনের এই ম্যাচে ৪০টি উইকেট পড়ে ম্যাচ শেষ হয়। বড়োদার পক্ষে ১০টি উইকেট শিকার করা অমিত শেঠকে ম্যান অফ দ্যা ম্যাচের পুরস্কার দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৬৩ রান হাতে নিয়ে খেলতে নেমে ১৩৩ রানেই অল আউট হয়ে যায়। বড়োদার পক্ষে অক্ষয় ব্রহ্মভট্ট (৩০), কেদার দেবধর (৩৮) এবং স্বপ্নিল সিং (২১) ছাড়া কেউ ক্রিজে টিকতেই পারেনি। এইভাবে বাংলার সামনে ম্যাচ জেতার জন্য লক্ষ্যমাত্রা হয়ে দাঁড়ায় মাত্র ১৫৫ রানের।
বাংলার পক্ষে মুকেশ কুমার দ্বিতীয় ইনিংসে ৫টি, অমিত কুইলা ৩টি এবং অশোক দিন্দা ২টি উইকেট পান।
জয়ের জন্য ১৫৫ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। অধিনায়ক ইরফান পাঠান এবং বাবাসফি পাঠান দুজনে মিলে ৪০ রানের মাথায় বাংলার শীর্ষ চার ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়ন ফিরিয়ে দেন।
অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি (৩৯) এবং পঙ্কজ শা (১৬) দুজনে ৫৪ রানের পার্টনারশিপ করে জয়ের স্বপ্ন দেখায় বাংলাকে, কিন্তু সাগর মঙ্গলোরকরের বলে ৯৪ রানের দলীয় স্কোরে আউট হয়ে ফিরে যান মনোজ।
মনোজের আউট হওয়ার পর আর ঘুরে দাড়াতে পারেনি বাংলা। শ্রিবৎস গোস্বামি (অপরাজিত ২৬) এক প্রান্তে টিকে থাকলেও অন্য প্রান্তে লাগাতার উইকেট হারাতে থাকে বাংলা, যার ধারাবাহিকতা শেষ হয় বাংলার হারের মাধ্যমে।
এই জয়ের সঙ্গেই ৬ পয়েন্ট নিয়ে ৭ম স্থানে উঠে এল, অন্যদিকে টুর্নামেন্টে প্রথম হারের পরও ৫ ম্যাচে ১৬ পয়েন্টের সঙ্গে ৫ম স্থান ধরে রাখল বাংলা।