স্পোর্টস ডেস্ক, টিডিএন বাংলা : শান্তাকুমারন শ্রীসন্থের উপর থেকে আজীবন নির্বাসনের খাঁড়া তুলে নিল কেরালা হাইকোর্ট। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড শ্রীসন্থের উপরে এই সাজা আরোপ করেছিল।
     প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে আইপিএল-এ স্পট ফিক্সিং মামলায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন শ্রীসন্থ। এরপরেই তাঁর ক্রিকেট ক্যারিয়ার আজীবন নির্বাসনের কালো মেঘে ঢেকে যায়।
    যদিও ইতিপূর্বে দিল্লি হাইকোর্টের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয় যে এই ঘটনায় শ্রীসন্থ একেবারে নির্দোষ। কিন্তু, তা সত্ত্বেও বিসিসিআই তাঁর উপর থেকে নির্বাসনের খাঁড়া তোলেনি। এরপর গত বছর কেরালা হাইকোর্টের শরণাপন্ন হন ভারতীয় ক্রিকেট দলের এই পেসার। এখানেও জানিয়ে দেওযা হয় যে এই ঘটনায় তাঁর কোনও দেষ নেই।
   আইপিএল স্পট ফিক্সিং কাণ্ডে অভিযুক্ত হয়ে ২০১৩ সালের মে মাস থেকে দিল্লির সেন্ট্রাল জেলে তাঁকে হা-পিত্যেশ করে বসে থাকতে হত। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৭ মে মুম্বই থেকে দিল্লি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর সঙ্গেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস দলের দুই সতীর্থ অজিত চান্ডিলা এবং অঙ্কিত চৌহানকে।
    আজ আদালতেই উপস্থিত ছিলেন শ্রীসন্থ। তিনি জানিয়েছেন যে আদালতের এই রায়ে তিনি যারপরনাই খুশি। এবার তিনি নতুন করে ক্রিকেটটা শুরু করতে পারবেন।
     অবশ্য শ্রীসন্থ নির্বাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে যে, তবেকী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরইই কপাল খুলল তার ? কেননা কেরল বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। যদিও রাজনীতির ময়দানে শিকে ছেঁড়েনি শান্তাকুমারন শ্রীসান্থের।
    শ্রীসন্থ বললেন, “আমার এই চরম দুঃসময়ে যাঁরা আমার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁদের আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। তবে এখনও কতটা ম্যাচ ফিট আমি, এবার সেটা প্রমাণ করার পালা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আমি বেশ কয়েকটা ক্লাব টুর্নামেন্ট খেলতে নামব। ফিটনেসটা ফিরিয়ে আনার জন্য এই ম্যাচগুলো খেলার প্রয়োজন আছে। একবার আমি নিজেকে ফিট মনে করলেই, কেরালা দলে ঢোকার চেষ্টা শুরু করব।”
   এদিকে এই রায়ের পরও বিসিসিআইয়ের মুখে কুলুপ। তাঁরা ধীরে চলো নীতি নিয়েছেন। কেরল হাইকোর্টের রায়ের পর তাঁরা কোনও পথে হাঁটেন তা জানতে আরও কিছু সময়ের অপেক্ষা।
(সূত্র : ওয়ান ইণ্ডিয়া ও ওয়ান ইণ্ডিয়া)