টিডিএন বাংলা ডেস্ক: ভারতের জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার ইরফান পাঠান-সহ রাজ্যের সব ক্রিকেটারকে শ্রীনগর ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে কতৃপক্ষ। কাশ্মিরে হামলার আশঙ্কায় ইরফান সহ আরো বেশ কিছু ক্রিকেটারকে কাশ্মীর ত্যাগ করতে বলা হয়।

শুক্রবার অমরনাথ যাত্রাপথ থেকে বিপুল পরিমাণ বোমা, একটি ল্যান্ডমাইন ও একটি টেলিস্কোপিক স্নাইপার রাইফেল উদ্ধার করেছেন সেনাসদস্যরা। এরপরই নিরাপত্তার কারণে অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের অবিলম্বে উপত্যকা ছেড়ে চলে যাওয়ার অনুরোধ করেছে জম্মু-কাশ্মীর সরকার।

ইরফান পাঠান ও জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট দলের অন্য সদস্যদের রাজ্য ছেড়ে যত দ্রুত সম্ভব চলে যেতে বলা হয়েছে। খবরে প্রকাশ, জম্মু-কাশ্মীর সরকার রাজ্য দলের মেন্টর ইরফানকে দ্রুত চলে যাওয়ার অনুরোধ করেছে। তাঁর সঙ্গে দলের কোচ মিলাপ মেবাদা ও ট্রেনার সুদর্শন ভিপিকেও রাজ্য ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আশিক হুসেইন বুখারু বলেছেন, অ্যাসোসিয়েশন ইরফান ও অন্য স্টাফদের দ্রুত রাজ্য ছাড়ার জন্য বলেছে। এ ছাড়া অন্য সদস্য ও নির্বাচক যাঁরা অন্য রাজ্যের লোক, তাঁদেরও দ্রুত চলে যেতে বলা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সব ধরনের ক্রিকেট কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জেকেসিএ। অনূর্ধ্ব-১৬ ও ১৯ দলের ট্রেনিং ক্যাম্প বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ১০০ ক্রিকেটারকে তাঁদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে আবাসিকভাবে থাকা সব ক্রিকেটারই বাড়ি চলে গেছেন।

ইতোমধ্যে কড়া নিরাপত্তায় শ্রীনগর বিমান বন্দরে পৌঁছেছেন ইরফান ৷ এরই মধ্যে ১০১-১০২ খোলোয়াড়দের পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে ৷ যাঁরা শের-ই-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে একটি প্রচারে ছিলেন ৷ প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবারই একটি নির্বাচন সংক্রান্ত ম্যাচ খেলা হয়েছিল, অনুর্ধ্ব ১৯ বনাম অনূর্ধ্ব ১৬ (U19 Vs U16) ৷ ক্রিকেট নির্বাচকেরাও সেখানে গিয়েচিলেন নতুন প্রতিভা উন্মোচনে ৷