স্পোর্টস ডেস্ক, টিডিএন বাংলা : লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। ১৬৯ রান। আইপিএলে এই রান তাড়া করা এখন বলতে গেলে খুব মামুলিই। কেকেআরের জন্য যেন এটা আরও ডাল-ভাত। জয় তারা ঠিকই পেয়েছে, তবে অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। মিডল অর্ডারে মানিষ পান্ডে এবং ইউসুফ পাঠান মিলে যদি না দাঁড়াতেন এবং ১১০ রানের জুটিটা না গড়তে পারতেন, তাহলে পরাজিত দলের কাতারেই হয়তো থাকতে হতো কেকেআরকে।

শেষ পর্যন্ত এ দু’জনের ব্যাটের ওপর ভর করেই ফিরোজ শাহ কোটলায় স্বাগতিক দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে কেকেআর। ৫ ম্যাচে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে এখন কেকেআরই। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পয়েন্ট সমান হলেও রান রেটে পিছিয়ে তারা। ৪ ম্যাচে ২ জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বর স্থানে রয়েছে দিল্লি।

জয়ের জন্য ১৬৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই ওপেনিংয়ে নামা কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে হারায় কেকেআর। ওপেনিং জুটি নিয়ে বেশ পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালাচ্ছে কলকাতার দলটি। শুরুতে রবিন উথাপ্পাকে নিচে নামিয়ে ক্রিস লিনকে নিয়ে ইনিংস ওপেন করতে নেমে দারুণ বাজিমাত করে শাহরুখ খানের দল; কিন্তু কাঁধের ইনজুরির কারণে ক্রিস লিন খেলতে না পারায় সুনিল নারিনকেই ওপেনিংয়ে নামিয়ে দেয় কেকেআর। প্রথম ম্যাচে দারুণ কাজে দেয় এই আইডিয়া। পরের ম্যাচে ব্যর্থ হন নারিন। আজ আবার কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমকে ওপেনিংয়ে নামানো হলো। গম্ভীরের সঙ্গে এই জুটিও ব্যর্থ।

এমনকি ওয়ানডাউনে নামা রবিন উথাপ্পাও আজ ব্যর্থ। ২ বলে ৪ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। এরপর মাঠে নামেন মানিষ পান্ডে এবং ইউসুফ পাঠান। ১১০ রানের অনবদ্য জুটি গড়ে তোলেন তারা দু’জন। ৪৯ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত থেকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন পান্ডে। তার ইনিংস ছিল ৪টি বাউন্ডারি এবং ৩টি ছক্কায় সাজানো।

ইউসুফ পাঠান ৩৯ বলে ৫৯ রান করে আউট হন। ৬টি বাউন্ডারির সঙ্গে ২টি ছক্কার মার ছিল তার ইনিংসে। শেষ দিকে সুর্যকুমার যাদব এবং ক্রিস ওকস মাঠে নামেন। তবে দু’জন যথাক্রমে ৭ এবং ৩ রান করে আউট হয়ে যান। সুনিল নারিন নেমে ১ রান করে ১ বল হাতে রেখে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। জাহির খান এবং প্যাট কামিন্স নেন ২টি করে উইকেট।