টিডিএন বাংলা ডেস্ক: এখন রাজ্যের মোট ভোটদাতার প্রায় ২০লক্ষের বয়স ১৮-১৯-র মধ্যে। নির্বাচন কমিশনের সদ্য প্রকাশিত ভোটার তালিকা এই তথ্য জানাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির দাবি অনুসারে তাঁর শাসনে রাজ্যে প্রায় এক কোটি চাকরি হয়ে গেছে। ২০১৬-র মে-তে তাঁর দাবি ছিল যে,তখন পর্যন্ত ৬৮লক্ষ চাকরি হয়েছিল। অর্থাৎ গত তিন বছরে রাজ্যে ৩২লক্ষ চাকরি হয়েছে। ডিওয়াইএফআই-র রাজ্য কমিটির সম্পাদক সায়নদীপ মিত্র সোমবার জানিয়েছেন,   এই সব দাবি করে যুবদের শুধু বিভ্রান্তই নয়, অপমান করা হয়েছে। রাজ্যের একটি বুথও কেউ দেখাতে পারবেন যেখানে গত তিন বছরে ৪১জনের চাকরি হয়েছে? দেশের সরকারও একইভাবে যুবদের ঠকিয়েছে। আমরা চিঠি দিয়ে এই কথাগুলি তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

চলতি বছরের ভোটার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তিন বছরে রাজ্যে ভোটদাতা বেড়েছে ৪২লক্ষের বেশি। তালিকা জানাচ্ছে, রাজ্যের ভোটদাতা হলেন ৬ কোটি ৯৭লক্ষ ৬০ হাজার ৮৬৮। এই তালিকার ভিত্তিতে লোকসভা নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচন চলতি বছরের মে-র মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা। ২০১৬-র এপ্রিল-মে মাসে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। সেবার মোট ভোতদাতা ছিলেন ৬ কোটি ৫৫লক্ষ ৪৬ হাজার ১০১ জন। তিন বছরে রাজ্যে ভোটদাতা বেড়েছে ৪২লক্ষ ১৪ হাজার ৭৬৭জন। যার একটি বড় অংশই যুবক যুবতী।

রাজ্যের নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকার ২.৯৬%-র বয়স ১৮-১৯। অর্থাৎ প্রায় ২০লক্ষ ৬৪ হাজার ৯২২জনের বয়স আঠারো-উনিশ।

আর একটি বিষয় তাৎপর্যপূর্ণ। এবার নতুন নাম সংযোজিত হয়েছে ২০লক্ষ ৬৭ হাজার ৩০৩ জনের। নাম বাদ গেছে ৩লক্ষ ৫৭ হাজার ৩০ জনের। অর্থাৎ ভোটার তালিকায় নাম বেড়েছে ১৭লক্ষ ১০ হাজার ২৭৩। এদের একটি বড় অংশের বয়স ১৮। বাকিদের কোন কারণে নাম আগে বাদ গিয়েছিল। এবার আবার যুক্ত হলো।

আগামী ২৭শে জানুয়ারি প্রতি বুথেই রাজনৈতিক দল এবং বুথ লেবেল অফিসাররা বৈঠক করবেন। শুরু হচ্ছে বিশেষ প্রচার অভিযান। সেদিন নতুন নাম তোলা শুধু নয়, ভোটারের নাম ভুল থাকলেও তা সংশোধন করা যাবে। কমিশনের ঘোষিত লক্ষ্য একজন ভোটারের নামও যেন বাদ না যায়। কমিশনের আশঙ্কা ১৮-১৯ বছরের যুবক যুবতীর একাংশের ভোটদাতার নাম এরপরও বাদ গেছে। তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।