টিডিএন বাংলা ডেস্ক : এই সভার পর বিজেপির এরাজ্যে আরও গুরুত্ব বাড়ল বিরোধী দল হিসেবে। ফেসবুকে এমনই মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের সাংসদ কুনাল ঘোষ। তিনি ফেসবুকে লেখেন, “এই সভার পর বিজেপির এরাজ্যে আরও গুরুত্ব বাড়ল বিরোধী দল হিসেবে। এটা তারা কতটা কাজে লাগাতে পারবে, সেটা তারাই জানে। কিন্তু মমতাদির আক্রমণের পর মেরুকরণ স্পষ্ট হল। যদি কংগ্রেস, বামেরা তৃণমূলকে বিজেপিবিরোধিতায় সমর্থন করে, তাহলে, তাদের মধ্যে যারা কট্টর তৃণমূলবিরোধী, তাদের সমর্থন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে বিজেপির।” তৃণমূলের শহীদ দিবস প্রসঙ্গে লিখতে গিয়ে কুনাল ঘোষ আরও লেখেন, “ভোটের অঙ্কে মমতাদির বিজেপি বিরোধিতা মানা যায়। কিন্তু আদর্শগত কথাগুলি ভিত্তিহীন। কারণ, বাবরি মসজিদের পতন এবং গুজরাট দাঙ্গার পরও মমতাদি বিজেপির সঙ্গে ছিলেন। এখন হঠাৎ আদর্শগত কথা হাস্যকর।” তিনি আরও লেখেন, “মমতাদির অস্ত্র ভিড়। এই একটি অস্ত্রে তিনি সব রোগের মোকাবিলা করেন। সেটা এখনও অটুট। ফলে যুক্তি, অপযুক্তি বহুক্ষেত্রে বিচার্য নয়। হাওয়ায় উতরে যান। সেটা অব্যাহত। কিন্তু দলীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠছে, সিন্ডিকেট, গোষ্ঠীবাজি, মারামারি, দলবাজি, ভর্তির অনিয়ম, সেসব প্রসঙ্গে কোনও আাচরণবিধি সংক্রান্ত ইতিবাচক দায়িত্বশীল বার্তা নেই। বিজেপি বিরোধিতা আর ভোট জেতার ক্ষমতার আস্ফালনই একমাত্র উপসংহার। কিছু ক্ষেত্রে প্ররোচনাও বটে! বললেন, শান্তিবাহিনী হবে। পুলিশকে সাহায্য করুন। দাঙ্গা করতে এলে তাড়া করুন। মানে কী? শান্তিবাহিনীতে কারা থাকবে? কোন অজুহাতে কে কাকে তাড়া করবে? এতো এলাকায় এলাকায় অশান্তির আয়োজন!!” শুক্রবার বিকেলে ২১ জুলাই নিয়ে ২১টি ‘পর্যবেক্ষণ’ লিখেছেন তৃণমূলের এক সময়ের প্রভাবশালী ওই সাংসদ।