আক্রান্ত হওয়ার পর মমতা ঠাকুরের মতুয়াদের সঙ্গে কথা বলছেন সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাস

নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা: রাজ্যের বিশিষ্ট দলিত নেতা ও প্রবীণ লেখক সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাসের উপর
হামলা চালালো একদল দুষ্কৃতী। তারা সবাই বিজেপি আশ্রিত বলে সুকৃতি বাবুর দাবি। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন সমাজের বিশিষ্টজন।
আজ উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের নাট মন্দিরে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের ডাকে একটি সভা হওয়ার কথা ছিল। প্রাক্তন সাংসদ ও সংঘের সভানেত্রী আদিবাসী, দলিত,মতুয়া ও সংখ্যালঘু মুসলিমদের নিয়ে ওই বৈঠক ডাকেন।
মূলত এনআরসির বিরুদ্ধে মতুয়াদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে আদিবাসী ও মুসলিম সমাজের মানুষকে কাছে পেতেই ওই আলোচনা সভা ছিল বলে জানা গেছে। মমতা ঠাকুরের অভিযোগ, এনআরসি বিরোধী বৈঠক বানচাল করতে বিজেপির সাংসদ শান্তনু ঠাকুর নাটমন্দিরে পাল্টা বৈঠক ডাকেন। এরপর সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাস, মমতা ঠাকুর বিতর্কে না গিয়ে কপিল তীর্থ ভবনে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেন।

ঘটনার পর পুলিশি প্রহরা

সুকৃতি বাবুর অভিযোগ, আমি ঘর থেকে বের হতেই এক দল বিজেপির লোক বাইরে বেরিয়ে আসতে বলে। তারপর মারধর করে। কিলঘুষি মারে। প্রবীণ লোকটি তখন পড়ে যায়।
অন্যদিকে সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাসকে বাঁচাতে গিয়ে মমতা ঠাকুর হেনস্তা হয় বলে অভিযোগ। এক মতুয়া ভক্ত টিডিএন বাংলাকে বলেন, বিজেপি সমর্থিত কিছু লোক মাইক থেকে মিথ্যা প্রচার করে। বৈঠকে যোগ দিতে আসা একটি গাড়ি গাড়িতে আক্রমণ করে। এই ঘটনার পর ঘটনাস্থলে আসে গাইঘাটা থানার পুলিশ। এলাকায় পুলিশি টহল চলতে থাকে।
তবে সুকৃতিরঞ্জন বিশ্বাসের মতো জনপ্রিয় দলিত নেতার উপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন সকলে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বিবৃতি দিয়ে নিন্দা জানিয়েছেন। বন্দি মুক্তি কমিটির সম্পাদক ছোটন দাস বলেন, আরএসএস বিজেপি সরকার আসার পর সারা দেশে দলিতদের উপর নির্যাতন বেড়েছে। আজকে যারা হামলা করেছে তারা গণতন্ত্র মানেনা। শান্তি, সম্প্রীতি এইসব ওরা বোঝেনা। ভবিষ্যতে এইসব সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করতে হবে।’