টিডিএন বাংলা ডেস্ক: সমস্ত অপকর্মের মূলে মদ। তাই অনেক আগেই বিহারে নীতীশ কুমারের সরকার মদ বন্ধ করে দিয়েছে। আরও অন‍্যান‍্য রাজ‍্যে মদ বন্ধ করার জন্য প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাংলার বুকেও ওয়েলফেয়ার পার্টি সহ একাধিক মানবাধিকার সংগঠন গুলি মদ বন্ধের জন্য বারংবার দাবি জানিয়েছে। কিন্তু রাজ‍্য সরকার এই ব‍্যপারে এখনও কোনো ব‍্যবস্থা গ্ৰহণ করেননি। যার ফল স্বরূপ সমাজ অনেক বর্বরতার ঘটনা উপহার পাচ্ছে।

বর্বরতার চরম সীমা ছাড়াচ্ছে বাংলার বুকেও। মদের নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে নিজের মাকেই ধর্ষণ করল এক যুবক। অবিশ্বাস্য এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে। ২০ বছরের অভিযুক্ত ওই যুবককে গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ। আর নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

রাহুল রায় নামের অভিযুক্ত ওই যুবক বালুরঘাট শহরে টোটো চালায় বলে খবর। শহরে বাঁধবঙ্গি এলাকায় বাড়ি ওই যুবকের। পরিবারের লোকের দাবি, অল্প বয়সেই মদ্যপানে আসক্ত হয়ে পড়েছে রাহুল। দিনভর টোটো চালানোর পর প্রতি রাতেই আকণ্ঠ মদ গিলে বাড়ি ফেরে সে। রবিবার রাতেও অন্যথা হয়নি। অভিযোগ, রাতে যখন মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফেরে রাহুল, তখন ঘরে একাই ছিলেন তার মা। আচমকাই নিজের মায়ের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে রাহুল। ছেলের হাতেই ওই মহিলা ধর্ষিতা হন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনার পর অভিযুক্ত রাহুল রায়কে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় বালুরঘাট থানায়। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার ওই যুবককে চোদ্দো দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

অভিযোগ যে মারাত্মক, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সত্যি কি নিজের মা-কে ধর্ষণ করেছে টোটো চালক রাহুল? অভিযোগের ভিত্তিতে যেমন ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, তেমনি তদন্তকারীরা নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে সে যাই হোক, ছেলের বিরুদ্ধে মাকে ধর্ষণের অভিযোগে শোরগোল পড়ে গিয়েছে বালুরঘাট শহরে।