ছবি ইন্টারনেট

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আস্থা ভোটকে ঘিরে মঙ্গলবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ। পুলিশের সামনে বোমাবাজি- বাদ গেল না কিছুই। ১২জন তৃণমূল কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগদানের ফলে আস্থা ভোট হয় বনগাঁ পুরসভায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে একাধিকবার লাঠিচার্জ করে পুলিশ। তবে পরিস্থিতি এখনও অশান্ত বনগাঁয়।

ঘটনাস্থলে রাতেও মোতায়েন বিশাল পুলিশবাহিনী। ২২ আসনের বনগাঁ পুরসভার দখল নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত। বনগাঁ পুরসভায় ১৯টি আসন ছিল তৃণমূলের, মাসখানেক আগে বিজপিতে যোগ দেন ১২জন কাউন্সিলর। মঙ্গলবার আস্থা ভোট ছিল বনগাঁ পুরসভায়। এক তৃণমূল কাউন্সিলর অভিযোগ দায়ের করেন, তাঁকে অপহরণ করার চেষ্টা করেছিল বিজেপি। দুই বিজেপি কাউন্সিলরের দাবি করেন, তাঁরা এই মামলায় আগাম জামিন পেয়েছেন। এদিন আস্থা ভোটের জন্য পুরসভায় গেলে, তাঁদের থেকে জামিনের নথি দেখতে চায় পুলিশ। যদিও কাউন্সিলরদের কাছে জামিনের নথির কোনও হার্ড কপি ছিল না। মোবাইল ফোনে জামিনের নথির ছবি দেখাতে চাইলে, তা মানতে চাননি পুলিশ কর্মীরা।

এরপরেই প্রথমে বচসা, এবং তারপর বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। দুই বিজেপি কাউন্সিলরকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়ার দাবি জানান গেরুয়া শিবিরের সমর্থকরা। পরিস্থিতি ক্রমশই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। আস্থা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি, ২পক্ষই নিজেদের জয়ী বলে ঘোষণা করতে থাকে।

তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের জয়ী বলে দাবি করলেও, ভোটের সময়, তাদের দলের কোনও কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন না বলে অভিযোগ বিজেপির। একই দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। বনগাঁয় পরিস্থিতি এখনও থমথমে। এলাকাবাসীরা আতঙ্কে রয়েছেন। লোকসভা ভোট পর্বে বারেবারে উত্তপ্ত হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। ভোট মিটে গেলেও অশান্তির ইস্যু বদলেছে। এবার পুরসভার আস্থা ভোট ঘিরে উত্তপ্ত হল বনগাঁ।