নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, বসিরহাট:  বিজেপির গণতন্ত্র বাচাও যাত্রার অনুমতি না দেওয়ায় সোমবার বসিরহাটে আইন অমান্য কর্মসূচির ডাক দেয় বিজেপির জেলা কমিটির পক্ষ থেকে। কর্মসূচিতে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বসিরহাট সবুজ সংঘ মাঠ থেকে মিছিল করে বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরে উদ্দেশ্যে রওনা হন বিজেপি কর্মীরা। বসিরহাট চৌমাথা ঘুরে থানার মোড় হয়ে ইটিন্ডা রোড ধরে টাউন হলের মাঠে গিয়ে পথসভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তারপর সেখান থেকে পুনরায় শুরু হয় আইন অমান্য কর্মসূচি। বসিরহাট রেজিস্ট্রি অফিসের মোড়ের কাছে বিজেপির মিছিল পৌঁছাতেই মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির মধ্যেই পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন বিজেপি কর্মীরা। পুলিশের গার্ড রেলিং তুলে ছুড়ে ফেলায় আক্রান্ত হন সরস্বতী বিশ্বাস নামে এক মহিলা বিজেপি কর্মী। এরই মধ্যে বিজেপির মিছিল এর ভেতর থেকে পুলিশের উদ্দেশ্যে ছুটে আসে ইটপাটকেল। ইটপাটকেলে জখম হন বসিরহাটের আইসি সহ বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী। তারপরই মিছিলে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। পুলিশের লাঠির ঘায়ে গুরুতর জখম হন পাঁচ মহিলা বিজেপি কর্মী সহ অন্তত কুড়ি থেকে পঁচিশ জন বিজেপি কর্মী। আইন অমান্য কর্মসূচি থেকে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা যায় পুলিশের পক্ষ থেকে।


বিজেপি কর্মীদের উপর লাঠিচার্জের ঘটনায়  বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ আমাদের বদনাম করতে আগে থেকেই চক্রান্ত করেছিল তৃণমূল। তৃণমূলের লোকজন মিছিলের মধ্যে থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট ছোড়ার পরই পুলিশ লাঠি চার্জ করতে শুরু করে। কিন্তু তৃণমূল এইভাবে আমাদের গণতন্ত্র যাত্রাকে আটকাতে পারবেনা’। বিজেপির মিছিল থেকে পুলিশের ওপর ইট ছোড়ার বিষয়ে বসিরহাট জেলার বিজেপি কমিটির সভাপতি গণেশ ঘোষ বলেন,’ আমাদের মিছিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য আগে থেকেই তৃণমূলের লোকেরা জমায়েত হচ্ছে জানতে পেরে পুলিশকে জানানোর পরও পুলিশ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আজকের এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে’।