নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা : মায়ানমারে শুধু মুসলিম নয়, হিন্দুরাও আক্রান্ত, তবুও ভারতের হিন্দু নেতারা এই নির্যাতনের প্রতিবাদ করছে না কেন? প্রশ্ন তুলছেন মুসলিম নেতারা।
সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুস সালাম মঙ্গলবার বলেন, “ভারতের হিন্দুরা চায় রোহিঙ্গা নির্যাতন বন্ধ হোক, কিন্তু বিজেপি ও সংঘ পরিবার চাইছে না। বিজেপি এটাকে ধর্ম ভিত্তিক ইস্যু বানাতে চায়ছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন গুলি নীরব। আসলে এখানকার হিন্দুত্ববাদী সংগঠন গুলির ভাবনা চিন্তা ভারতকে নিয়ে, তাতে পৃথিবীর অন্য দেশের হিন্দুদের কী হল, নাহল সেই ভাবনা এঁদের নেই।

 

 

এরা মানবাধিকার নিয়েও ভাবেনা। এই সব হিন্দুত্ববাদীরা সংকীর্ণ মনা। বাঙালি জাতি শেষ হলে এদের কোনও যায় আসেনা।”
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ওই নেতা আরও বলেন, “মায়ানমারে মূল সমস্যা ভাষাগত সাম্প্রদায়িকতা। বাংলা সিলেটি ভাষায় যারা কথা বলে তাদেরকেই বিদেশি আখ্যায়িত করে বর্মার বাইরে পাঠিয়ে দিতে চাই। হিন্দু মুসলিম বিষয় এখানে নয়, ধর্ম ভিত্তিক লড়াই নয় এটা। বাঙালি সেন্টিমেন্ট এখানে কাজ করছে। মায়ানমার সরকার সেখানকার বাঙালিদের টার্গেট করছে। ঘটনা ক্রমে তাদের বেশির ভাগ মুসলিম।”
জেএনইউ এর গবেষক, হাওড়ার আব্দুল মতিন ভারতের হিন্দুত্ববাদী নেতাদের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “যাঁরা হিন্দুত্ববাদী নেতা সেজে বসে আছে তাঁরা সাধারণ হিন্দুদের নিয়ে চিন্তা করেন না। আমেরিকাতে হিন্দুকে খুন করা হলেও চুপ থাকে। শুধু মুসলিম দেশে কিছু হলে চেঁচায় যাতে ভারতে মেরুকরণের রাজনীতি করা সহজ হয়।” পীরজাদা তামিম সিদ্দিকী থেকে শুরু করে একাধিক মুসলিম নেতা বলছেন, ভারত সরকার রোহিঙ্গা হিন্দুদের জন্য কিছু করুক, কেননা বহু হিন্দু মায়ানমারে খুন হচ্ছে, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ হয়েছে।