রবিউল ইসলাম, টিডিএন বাংলা, জঙ্গিপুর: জল নেই, রাস্তাঘাট নেই, নেই নিকাশি ব্যবস্থা। কাজ করেও মেলেনা সঠিক মজুরি। এটাই জঙ্গিপুর। দেশের সবচেয়ে বঞ্চিত ও পশ্চাদপদ জনপদগুলির একটি। ভারতের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী তথা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির “আশীর্বাদ পুষ্ট” লোকসভা আসন এটি।

উমরপুর। জঙ্গিপুর লোকসভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। দূর পাল্লার বাসগুলি এখানে থামে। অথচ এলাকার রাস্তা ঘাট নোংরা আবর্জনায় ভরা। পাড়ার ভিতরগুলিতে রাস্তা বলতে কিছুই নেই। পানীয় জলের নেই সুব্যবস্থা। বিড়ির ন্যায্যমূল্য প্রতি এক হাজারে ২৯৩ টাকা হলেও শ্রমিকরা পাচ্ছেন মাত্র ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। বিড়ি শ্রমিকরা দুঃখ করে বলছেন,’ভোট এলে নেতারা আসেন,ভোটের পরের দিন থেকে কেউ খোঁজ নেয়না।’

কিন্তু কাকে ভোট দেবেন এই প্রশ্ন করতেই বিড়ি বাঁধার কাজে ব্যস্ত এক মহিলার সোজা সাপ্টা জবাব, “কাকেই বা ভোট দেব। কেউ কথা রাখেনা। ভোটের আগে এসে সবাই মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে যায়। ভোট মিতে গেলে কারো টিকি দেখতে পাওয়া যায়না।”

আবর্জনা ভরা পুকুর ও ভাঙা টিউবওয়েলের দিকে আঙ্গুল বাড়িয়ে এক বৃদ্ধা টিডিএন বাংলাকে বললেন, খাবার পানির ব্যবস্থা নেই, লোকের বাড়ি গিয়ে পানি নিয়ে আসি। এই আবর্জনা ভরাপুকুরে স্নান করি। বাচ্চাদেরকেও এখানে স্নান করতে হয়।

বেশিকিছু বলতে না চাইলেও প্রতিষ্ঠিত দলগুলির প্রতি যে মানুষ চরম ক্ষুব্ধ ইঙ্গিতে সেটা স্পষ্ট। আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। কিন্তু ইভিএম এ গিয়ে জনগনের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কিনা সেটাই এখন দেখার।