নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা: এবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক সিবিএসসি বোর্ড সহ বিভিন্ন বোর্ডের সেরাদের সম্বর্ধিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের বিভিন্ন নেতা মন্ত্রীরা। কিন্তু সেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাদ যায় হাই মাদ্রাসা, আলিম ও  ফাজিলের ছাত্র ছাত্রীরা। তখনই প্রশ্ন ওঠে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী কেন এই বিভাজন করছেন?

কেন মাদ্রাসা ছেলেমেয়েদের ডাকা হয়নি সেই সময়ে। সংখ্যালঘু নেতা মন্ত্রীরা বলছিলেন, যে মাদ্রাসা পাস সেরা ছেলেমেয়েদের নবান্নে সম্বর্ধিত করা হবে। কিন্তু দেখা গেল নবান্নের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান তাড়াহুড়ো করে হয়েছে। অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল  বিকেল ৫ টায়। কিন্তু আন্দোলনরত ডাক্তারদের সাথে বৈঠক করতে গিয়ে তিনটের সময় অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই অনাড়ম্বরপূর্ন অনুষ্ঠান হয়।  সেখানে সংখ্যালঘু মুসলিম নেতামন্ত্রীকে কে দেখা যায়নি। তবে বেশ কিছু আমলা ছিলেন। ফলে এখানে কোন মুসলিম নেতা বা মন্ত্রী ছিলেন না এমনকি সংখ্যালঘু প্রতিমন্ত্রী গিয়াস উদ্দিন মোল্লা উপস্থিত থাকেন তিনি। তিনি টিডিএন বাংলাকে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে গিয়ে এমনটা হয়েছে। পাঁচটায় অনুষ্ঠান ছিল। পাঁচটার অনুষ্ঠান থাকলে সকল মুসলিম নেতাকে বলা হয়েছিল। কিন্তু তার আগে হয়ে যাওয়ায় যেতে পারেনি, তো তাতে কোন সমস্যা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর বৃহত্তর স্বার্থে কাজটি করেছেন।’ মাদ্রাসা প্রতিমন্ত্রী যাই বলুন না কেন, সংখ্যালঘু নেতা মন্ত্রীদের বাদ দিয়ে মাদ্রাসার ছেলে মেয়েদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বেমানান তা স্বীকার করছেন অনেকে। তাছাড়া সংবর্ধনা ছাড়া কোনও বক্তব্য বা বিশেষ কিছু অনুষ্ঠান হয়নি।

অনেকে বলছেন মাদ্রাসা অনুষ্ঠানে সংখ্যালঘু নেতা মন্ত্রীরা থাকবেন না এটা কেমন! আবার অনেকে বলছেন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের জাঁকজমকপূর্ন অনুষ্ঠানে যদি মাদ্রাসা ছেলে মেয়েদের সম্বর্ধিত করা হতো তবে সব ঝামেলা মিটে যেত। কিন্তু তেমনটি হয়নি।

অনেক মুসলিম নেতা বলছেন, এটা ঠিক হয়নি। একেবারে মুখ্যমন্ত্রী জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান করতে পারত সব মিডিয়ার সামনে।