নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা : চতুর্দশ থেকে ষোড়শ শতকের কোনও এক সময়ে বাংলায় দুর্গাপূজার প্রচলন শুরু হয়। মূলত এই পুজো প্রাথমিক স্তরে হিন্দু বাঙালি অধ্যুষিত বনেদি পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। যা কালস্রোতের প্রবাহে আজ প্রতিটি সাধারণ হিন্দু বাঙালির আপন উৎসবের জায়গা জুড়ে নিয়েছে। সেই উৎসবেরই আনন্দে গা ভাসিয়েছে শহর কলকাতার মানুষ।

দিন পাঁচেক থেকে ‘তিতলি’ রীতিমতো তাণ্ডব করে বেড়াচ্ছিল। নাজেহাল হয়ে পড়েছিলেন পুজো কমিটির কর্মকর্তারা। ঘন ঘন আবহাওয়া দপ্তরের শরণাপন্ন হয়েছিলেন তারা। উৎসবের মরশুম মাঠে মারা পড়ে এই আশঙ্কা তাড়া করছিল আম জনতার মনে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছিল, গতবারের মতো এবারও বুঝি পূজোর সব পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে। কিন্তু না শেষপর্যন্ত দেখা মিলছে রোদের।

কাল ছিল মহাষষ্ঠী। নিম্নচাপের আশঙ্কা দূর হওয়ার পর রবিবারের পঞ্চমীর মতোই মহাষষ্ঠীতেও মণ্ডপে মণ্ডপে দেখা গেল হিন্দু শরণার্থীদের ঢল। এদিন শহর কলকাতার বিভিন্ন মণ্ডপে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। একদিকে যেমন দুর্গা প্রতিমা দর্শনে লাইন দিতে দেখা গেল কচিকাঁচাদের। অন্যদিকে বড়রাও এই আনন্দে গা ভাসালেন। আজ মহাসপ্তমী, আজ আরও বেশি ভিড় চাক্ষুষ করবে শহর কলকাতা। এমনটাই ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলের।