নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা : মসজিদে আজানের মধুর সুর শুনে হিন্দু মুসলিম ঘুম থেকে ওঠে কাজে যান, এই সুর হৃদয়ের সুর।তাই এই সুর যাঁর সহ্য হয়না তাঁর জন্য আমি প্রার্থনা করি আল্লহ যেন তাঁকে সুন্দর ও শ্রুতিমধুর সুর সোনার মত মানসিকতা তৈরি করে দেন। সনু নিগমের আজান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর এমনই কথা বললেন পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকী। ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আরও বলেন, “সনু নিগম আজান এবং শব্দ বা আওয়াজ নিয়ে মন্তব্য করেছেন।আমি প্রত্যেক ধর্মকে শ্রদ্ধা জানিয়েই কথা বলছি,সোনু নিগম বলে নয়। কিছুদিন আগে মমতা ব্যানার্জীর মুন্ডুচ্ছেদ নিয়ে যে এই ধরনের এবং কলকাতার টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম বরকতি সাহেব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন আমি তার তীব্র নিন্দা করি ! আমি মনে করি এরা কিছু কিছু অবাস্তব মন্তব্য করে জনপ্রিয়তা এবং হাইলাইটে আসতে চাইছে ! আজকে আজান এমন একটা জিনিস, পৃথিবীর মধ্যে মধুর সুর যদি থাকতে হয় সেটা আজানের মধ্যেই থাকতে পারে বলে আমি মনে করি।আমাদের ফুরফুরা শরিফের কাছাকাছি একটা মসজিদে একটানা তিনদিন মাইক খারাপ হয়েছিল, তারপর সেখানকার কয়েকজন হিন্দু ভাই এসে আমদেরকে মাইকটি দ্রুত সারানোর জন্য বলেন। এর কারণ জিজ্ঞেস করাতে তারা জানান এলাকার অনেক দিন মজুর এই আজানের ধ্বনি শুনেই তারা তাদের কাজ সম্পন্ন করে থাকেন, আবার অনেকেই ট্রেন ধরার জন্য আজানকে ফলো করে থাকেন ঘড়ির প্রয়োজনবোধও তারা করেননা। আবার অনেকেই আজান শুনেই ঘুম থেকে উঠে পড়েন। ফলে আজানের ধ্বনি মানুষকে কস্ট দেয়না বরং মানুষে কস্টগুলি দূর করে, ভুলিয়ে দেয়। আর এই ধরনের কিছু ব্যক্তি সনু নিগম বলেন বা অন্য যে কেউ তারা কিভাবে এইরকম মন্তব্য করেন আমি বুঝে উঠতে পারিনা।” ত্বহা সিদ্দিকী আরও বলেন, “আমি শুনলাম কোনো একজন ব্যক্তি বলেছেন নরেন্দ্রমোদীকে চুনকালি মাখাতে পারলে তাকে এতো টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে এটা উচিৎ নয়। বিশেষ করে একজন ধর্মগুরু যদি এইরকম মন্তব্য করে থাকেন তাহলে সাধারন মানুষ কী করবে ?