টিডিএন বাংলা ডেস্ক: হোলির সময় বাড়ে চোরা শিকার, তবে এবার কড়া পদক্ষেপ বন দফতরের। অতীতে উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে হোলি স্পেশাল শিকার উৎসব হত। তবে চোরাগোপ্তা শিকার এখনও চলছেই। তবে এবার হোলি উৎসবে বন্যপ্রাণ খুন আটকাতে কড়া এবার বন দফতর। শুরু হয়েছে টহলদারি। চলছে মাইকিং। চব্বিশ ঘণ্টা নজরদারির ঘেরাটোপে গরুমারা ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান।

একটা সময়ে বনাঞ্চলে হোলি মানেই ছিল শিকার উৎসব। দল বেঁধে তির-ধনুক, দা, ভোজালি-সহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে বনবস্তি ও আদিবাসীরা জঙ্গলে শিকারে যেতেন। হাতের সামনে যা পেত তাই শিকার হয়ে যেত। বাইসন, হরিণ, ময়ূর, খরগোস, পাখি কিছুই বাদ যেত না। তবে শিকার উৎসবের আড়ালে জঙ্গলে ঢুকে পড়তো চোরাশিকারিরা, আজও সুযোগ পেলেই হানা দেয় চোরা শিকারির দল। তাই অতিরিক্ত সতর্ক বন দফতর।

বন-পরিচালন সমিতি থেকে কর্মী নিয়োগ করেছে বন দফতর। ১৯ থেকে ২৩শে মার্চ পর্যন্ত জঙ্গলের ভিতর ও বাইরে টহলদারি। নজর রাখা হচ্ছে বিভিন্ন এন্ট্রি পয়েন্টে। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে গরুমারা, চাপড়ামারি, জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান-সহ বিভিন্ন সংরক্ষিত জঙ্গল।। টহলদারি চলছে মরাঘাট, ডায়না, রেতি রেঞ্জেও।

বনকর্মীদের দাবি, শিকার উৎসবের সময়ে অসম, মেঘালয়-সহ উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে চোরাশিকারীরা। টাকার লোভ দেখিয়ে বনবস্তির বাসিন্দাদের হাত করে জঙ্গলে শিকার করতে ঢোকে তারা। এটা আটকাতে মরিয়া বন দফতর। শিকার উৎসবের আড়ালে চোরাশিকার আটকাতে এখন মরিয়া বন দফতর।