নিজস্ব প্রতিনিধি, টিডিএন বাংলা, যাদবপুর : মঙ্গলবার গান্ধি জয়ন্তীর দিনে কলকাতার যাদবপুরে হয়ে গেল সাহিত্যের এক মহা উৎসব, ভারত- বাংলাদেশ মৈত্রী বাংলা কবিতা উৎসব ২০১৮। সূর্য সেন মঞ্চে এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অরুণ কুমার চক্রবর্তী। তাঁর হাত থেকে বাংলার নানা প্রান্ত থেকে আসা প্রবীন ও নবীন কবিতা কাব্য বিশেষ অবদান রেখে উপাধি গ্রহণ করেন। তিনি তাঁর সভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় প্রত্যেককে লজেঞ্চ দেন।

সাহিত্যের এই অনুষ্ঠানটি সম্মাননা ও উপাধি প্রদান, স্বরচিত কবিতা পাঠ, আবৃতি এবং কতকগুলো ব‌ই প্রকাশ দিয়ে সাজানো ছিল। সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়ের কাব্যের ব‌ই ‘বিশল্যকরণী’, ১২জন কবির যৌথ কাব্যগন্থ ‘বিচিত্র কাব্যদর্শী’, ১২জনের ‘সমদর্শী’, মানসী মিশ্র হালদারের গল্পগ্রন্থ ‘অল্পস্বল্প ছোটগল্প’, উপল দত্তের ‘রহিম ব্যাপারীর ঘাট’, শিলা বৃষ্টি কাব্যগ্রন্থ ‘অস্তিত্ব’, উষা চক্রবর্তীর লেখা ‘সুজয় রাগিনী’। এছাড়াও, জামিনুর মোল্লা তিনটে ব‌ই, উপন্যাস ‘অন্তহীন’, গল্পগ্রন্থ ‘একটি চিঠি’, একাঙ্ক নাট্যগ্রন্থ ‘হাফ ডজন একাঙ্ক’ প্রকাশিত হয়।

মঞ্চে ১২৬ জন ‘কাব্যসুধাকর’ উপাধি সম্মাননা, ৭জন ‘কাব্যভারতী’ উপাধি সম্মাননা, ১৫ জন ‘কাব্যশ্রী’ উপাধি সম্মাননা এবং ১৯জন অনুগল্প প্রতিযোগিতায় প্রথম থেকে পঞ্চম স্থানে থেকে এবারের ‘মহেশ্বেতা দেবী স্মৃতি পুরষ্কার’এ ভূষিত হন।

এদিন বাংলাদেশ থেকে উপস্থিত ছিলেন কবি মনি খন্দোকার, আরজু হামিদ নোমানী, অমরাবতী সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক মতিন বাঙালি, প্রমুখ। ওই দিন বিশ্বব‌ঙ্গ বাংলা সাহিত্য একাডেমি সম্পাদক হিসাবে অভিসিক্ত হন মেঘদূত পত্রিকার সম্পাদক শ্যী সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়।