টিডিএন বাংলা ডেস্ক : বৃত্তিমূলক শিক্ষক, প্রশিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বেতন কাঠামোর পুনর্বিন্যাস ও স্থায়ীকরণের দাবি জানিয়ে আন্দোলনে নামলেন শিক্ষাকর্মীরা। সোমবার থেকে নিউ টাউন এর কারিগরি ভবনের সামনে রাজ্যের বৃত্তিমূলক শিক্ষক প্রশিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের অনির্দিষ্টকালের ধরনা শুরু হয়েছে। তাদের মতে ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তন এর পরেও আমরা আশ্বাস ছাড়া কিছুই পাইনি।

তাদের আন্দোলনকে সমর্থন জানালো সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা সবথেকে বেশি অবহেলিত বঞ্চিত। তিনি আরও বলেন, বেকার যুবক-যুবতীরা যতটা ভাতা পান, কাজ করে শিক্ষিত যুবক যুবতীরা ততটা বেতন পান না। এবিষয়ে তিনি অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

ধরনা মঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বি-টেক যোগ্যতাসম্পন্ন যুবক-যুবতীরা বছরের পর বছর সরকারের সুবিচারের আশায় নামমাত্র বেতনে কাজ করে যাচ্ছি।

রাজ্য সরকারের কারিগরি দপ্তরের উদাসীনতায় শিক্ষক প্রশিক্ষকরা হতাশ। এদিন নেতৃস্থানীয়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শুভাশিস ব্যানার্জি, তানজির আহমেদ, জসীমউদ্দিন আনসারী, হেমন্ত অধিকারী প্রমূখ।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে পশ্চিমবঙ্গে বৃত্তিমূলক শিক্ষার সূচনা হলেও কারিগরি শিক্ষক ও শিক্ষকরা ক্লাসচুক্তি ও স্বল্পমেয়াদী চুক্তিতে মাত্র ৩০০০ টাকা বেতনে কাজ করতে বাধ্য হন।