টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আরাবাগের পর আবার হুগলির খানাকুলে তৃণমূল দাপুটে নেতা খুন। সূত্রের খবর, সন্ধেয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে খানাকুলের হরিশচকে পার্টি অফিসে গিয়েছিলেন খানাকুল ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মনোরঞ্জন পাত্র। রাত আটটা নাগাদ মনোরঞ্জনকে বাইকে চেপে আসা দুষ্কৃতীরা পার্টি অফিস থেকে টেনে বাইরে বের করে আনে। তারপর পাশের ধান জমিতে নিয়ে গিয়ে লাঠি, বাঁশ, রড দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হয়। ঘটনায় শোকের ছায়া খানাকুলে।

ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। খুনের অভিযোগ বিজেপির দিকে। যদিও বিজেপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলীয় নেতা খুনে রবিবার তার বাড়ি যাচ্ছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে দীর্ঘক্ষণ না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তারপরই খবর পাওয়া যায় খানাকুলে পার্টি অফিসের পাশে রক্তাক্ত দেহ পরে থাকতে। সেখান থেকে উদ্ধার করে খানাকুল গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এদিকে নেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে খানাকুলে শক্তি বেড়েছে বিজেপির। এরপর থেকেই এলাকায় মাঝে মধ্যেই দুই দলের সংঘর্ষের খবর আসছে। এর আগে আরামবাগের হরিণখোলায় খুন হয়েছিলেন আরেক তৃণমূল নেতা।

তৃণমূলের অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে বিজেপি। যদিও বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, দলীয় কোন্দলেই খুন হয়েছেন ওই নেতা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, রবিবার এলাকায় যাচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক এবং আইনি পথে পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হবে বলে জানানো হয়েছে তৃণমূলের তরফ থেকে।